সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

বেফাকের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা জামিল আহমদ: ভাল ফলাফল করতে হলে সারাবছর সময় অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হয়। অপরিকল্পিত অনেক পরিশ্রমে সফলতা অর্জিত হয় না। আগামীকাল থেকেই শুরু হচ্ছে বেফাকের ৪৬ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা।

বিশেষভাবে পরীক্ষাপূর্ব প্রস্তুতির সময় সুচিন্তিতভাবে একটি রুটিন তৈরি করে নিতে হবে এবং সে অনুযায়ী সময় কাজে লাগাতে হবে। রুটিনটি পড়ার সময় ও পঠিতব্য বিষয়গুলোর পরিমানের মাঝে সামাঞ্জস্য বজায় রেখে তৈরি করতে হবে।

যাতে করে কোনো একটি কিতাব বা বিষয় পড়তে পড়তেই সময় শেষ না হয়ে যায়। দরস চলাকালীন সময় ও দরসের ফাঁকে ফাঁকে বহু সময় পাওয়া যায়। সে সময়ও কোনো একটি কিতাবের প্রস্তুতির জন্য কাজে লাগাতে হবে।

কমপক্ষে ভালো ফলাফল প্রত্যাশী একজন সচেতন ছাত্রের ক্ষেত্রে তা অবশ্যই কাম্য। ভাল ফলাফল প্রত্যাশীদের জন্য কিছু পরামর্শ  ধরা হলো।

মূল কিতাব সামনে রেখে পড়া

পরীক্ষার পূর্বপ্রস্তুতির সময় অনেক ছাত্র শুধু শরাহ-শুরু হাত ইত্যাদি দেখে পড়ে থাকে। বিশেষত উপরের ক্লাশগুলোতে এ সমস্যা বেশি । এতে মূল কিতাব হতে বিষয়টি ভালোভাবে উপলব্ধি না করার কারণে প্রশ্নের ঢঙ সামান্য পরিবর্তন হলেই নোটনির্ভর ছাত্ররা উত্তর দিতে তালগোল পাকিয়ে ফেলে।

তাই অবশ্যই মূল কিতাব থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনে শরাহ -শরু হাতের সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে। তবে তা মূল কিতাব বাদ দিয়ে কখনোই নয়।

গুরু ত্বপূর্ণ বিষয় নোট

প্রস্তুতির সময় গুরু ত্বপূর্ণ অথচ খুঁজে বের করতে হয় এমন বিষয়সমূহের অবশ্যই নোট করতে হবে। যাতে একই বিষয় বারবার খুঁজতে গিয়ে সময় নষ্ট না হয়।

সারসংক্ষেপ বের করা

আমাদের কওমি মাদরাসার কিতাবসমূহ যেহেতু অধিকাংশই প্রাচীনধারায় লিখিত তাই এ সকল কিতাবে অনেক ক্ষেত্রে আলোচ্য বিষয়টি বিন্যস্ত ও পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠে না। এজন্য কোনো বিষয় পড়ার পর অবশ্যই তার সারসংক্ষেপ ও মোটকথা চিন্তা করে অত্মস্থ করে নিতে হবে। প্রয়োজনে খাতায় নোট লিখে রাখতে হবে।

শের বা কবিতার ক্ষেত্রে

মাঝে মাঝে উদাহরণ দিতে গিয়ে কিতাবের মধ্যে শের এসে যায়, সেক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় জেনে নিলে ভালো হয়।

১. শব্দের তাহকিক ২. পূর্ণ শের-এর অনুবাদ ও র্মম ৩. মহল্লে ইসতেশহাদ তথা যার মাধ্যে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে ৪. মিসাল ও মুমাসসাল এর সামাঞ্জস্যà¦