সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

আগামী বছর আলমী শূরার বিশ্ব ইজতেমা হবে দুই পর্বে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব: আগামী বছর থেকে আলমী শূরার তত্ত্বাবধানে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাবলিগের মুরব্বিগণ। এবছরের ইজতেমায় রেকর্ড সংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতি ও তাদের অবস্থানের কষ্টের কারণেরই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

বিশ্ব ইজতেমা আয়োজক কমিটির মুরব্বি ডা. কাজী শাহাবুদ্দীন আওয়ার ইসলামকে বলেন, এবার বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে রেকর্ডসংখ্যক মুসল্লির সমাগম হওয়ায় ময়দান ছাপিয়ে আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকায় তাদের থাকতে হয়েছে। অনেকে বাধ্য হয়ে থেকেছেন খোলা ময়দানে, অনেক টয়লেটের ছাদে, হাউজের পাশে। বাসস্টেশন, ট্রেন স্টেশন, ফুটপাত, স্কুল-কলেজ-হাসপাতাল মাঠ, মসজিদের ফ্লোর এমনকি টঙ্গী থানাও মুসল্লিদের অবস্থানের জন্য উন্মুক্ত করে ইজতেমায় সহায়তা করেছে পুলিশ প্রশাসন।

তিনি বলেন, তীব্র শীতে মুসল্লিরা এভাবে থাকার কারণে তাদের মধ্যে অনেকেরই ডায়রিয়া, আমাশয়, সর্দি, জ্বর, ঠাণ্ডা, কাশি, পেট ব্যথা, অ্যাজমাসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। টয়লেট, অজু-ইস্তেঞ্জা, গোসলসহ অনেকভাবেই তারা মাত্রাতিরিক্ত কষ্ট করেছেন। ঠিক মতো রান্না করতে না পারার কারণে খাবারেরও কষ্ট করেছেন অনেকে। এই ময়দানে সবাই কষ্ট ও মুজাহাদার জন্যই আসেন। তবে এবারের কষ্টটা ছিল একটু বেশি। এ অবস্থায় আগামী বছর কোনোভাবেই একপর্বে ইজতেমা করা সম্ভব হবে না।

ডা. কাজী শাহাবুদ্দীন বলেন, সবকিছু মাথায় রেখে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে আসন্ন ২০২৪ সালের আলমি শূরার বিশ্ব ইজতেমা ৫, ৬, ৭ জানুয়ারি প্রথমপর্ব মাঝে ৪দিন বিরতি দিয়ে ১১, ১২, ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। আমরা সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবো। প্রস্তাব রাখবো। তবে ফাইনাল সিদ্ধান্ত সরকারের পক্ষ থেকেই আসবে।

এবারের ইজতেমা আয়োজনের সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলহামদুলিল্লাহ সার্বিকভাবে সহযোগিতা ছিল। এমনকি শেষ দিকে এসে টঙ্গী থানাও মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন ওসি সাহেব। তাদের কাছে আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ। তাছাড়া মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল পুরো তিনদিন ইজতেমার ময়দানে নিজে থেকে সবকাজ আঞ্জাম দিয়েছেন। এমনকি তিনি তাবলিগে তিন দিন সময় লাগানোরও ওয়াদা করেছেন।

তিনি আরো বলেন, সরকার, প্রশাসন, সাধারণ মুসল্লি ও তাবলিগের ভাইদের সার্বিক সহায়তায় সুন্দর ও সুষ্