সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘নিকাব নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যে মোশাররফ ঠাকুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে’ ভারতে পৌঁছালেন তালেবান-নিযুক্ত প্রথম কূটনীতিক, দিল্লি দূতাবাসে তোড়জোড় জামায়াত-শিবির কখনো ইসলামি দল হতে পারে না: সিরাত সম্মেলনে বক্তারা প্রার্থিতা ফিরে পেলেন রিকশা প্রতীকের আরও তিন প্রার্থী এলপিজি আমদানি নিয়ে বড় সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ইবনে শাইখুল হাদিসের সঙ্গে নাহিদ ইসলামের দুই ঘণ্টার বৈঠক জামায়াত কি ক্ষমতায় যেতে চায়? নতুন জরিপে বিএনপির কাছাকাছি জনপ্রিয়তা জামায়াতের! হাদি হত্যা: চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি বৃহস্পতিবার বিক্ষোভের পর ইরানের পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে, দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান রয়েছে কুয়েত পুনর্গঠনে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধুমাত্র বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিমণ্ডলে নয় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সেনাবাহিনী একটি সুপরিচিত নাম। কুয়েত পুনর্গঠনে ১৯৯০/১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বৃহৎ দল বহুজাতিক বাহিনীর অংশ হিসেবে অপরেশন ‘ডেজার্ট স্টম’ এ অংশগ্রহণ করে।

পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা ১৯৯১ সাল থেকে আধুনিক কুয়েত গঠনে মাইন অপসারণ, এক্সপ্লোসিভ অর্ডন্যান্স ডিসপোজাল, মেডিকেল সার্ভিস, ইঞ্জিনিয়ারিং সহায়তা ,আইটি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, প্রশাসনিক সহায়তা ইত্যাদি দিয়ে আসছে। বর্তমানে কুয়েতে ১১টি ইউনিটে প্রায় ৫ হাজার ২০০ জন সশস্ত্র বাহিনী সদস্য কর্মরত আছে।

অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠন কার্যক্রম চলাকালে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯৪ জন সদস্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেন। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর কার্যক্রম কুয়েতে বাংলাদেশ মিলিটারি কন্টিনজেন্টের কার্যক্রম তথা জাতীয় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কৃতিত্বপূর্ণ অবদান অপরিসীম।

কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আসিকুজ্জামান বলেন, ‘১৯৯১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কুয়েতের সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ১৯৯১ সালে কুয়েতের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরবর্তীতে বিভিন্ন জাগায় পুঁতে রাখা ল্যান্ড মাইন্ড, অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ বিস্ফোরক উদ্ধারে দায়িত্ব পায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ