শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে

পরকালের ভয়ে কাতর একজন আবেদের কান্না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের: হজরত সুফিয়ান রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলেন, উমাইয়া নামে শাম দেশের একজন লোক ছিলো। তিনি বনি বাবে সাহম নামাক স্থানে নামাজ পড়তেন। নামাজে কান্না করতেন। চোখের অশ্রম্ন বেয়ে বেয়ে দাড়িতে গড়িয়ে পড়তো।

বর্ণনাকারী বলেন, এই অবস্থার খবর জেনে সেই দেশের আমির তাঁর কাছে চিঠি পাঠালো। চিঠিতে তিনি বললেন, আপনি তো অধিক কান্না করে মুসল্লিদের নামাজ নষ্ট করে দিচ্ছেন। আপনার কান্নার উঁচু আওয়াজে মুসল্লিদের নামাজে সমস্যা হয়। যদি আপনি সামান্য কান্না ও আওয়াজ কমিয়ে দিতেন, তাহলে ভালো হতো।

আমিরের এই কথা শুনে তিনি আবার কান্না শুরু করেন। তারপর বললেন, কেয়ামতের দিনের পেরেশানী আমাকে অধিক কান্না করতে উদ্ভুদ্ধ করেছে। আমি চোখের পানির দ্বারা মাঝেমধ্যে সেই দিনের পেরেশানীকে প্রশমিত করি।

হজরত উমাইয়া রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলতেন, আল্লাহ তায়ালার আনুগত্য বান্দার চেয়ে বেশি সৌভাগ্যশীল আর কেউ হতে পারে না।

শোনে রাখো! কল্যাণ ও সফলতা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার আনুগত্য করার মধ্যেই নিহিত।
শোনে রাখো! আল্লাহ তায়ালার আনুগত্যশীল বান্দাগণই হলেন, দুনিয়া ও পরকালের প্রকৃত বাদশা।
বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাওয়াফ করার সময় এককোণ ধরে কান্না করতেন। কান্না করেই চলতেন। অনেক সময় কান্নার একপর্যায়ে তিনি বেহুশ হয়ে পড়তেন।

সূত্র: আর-রিক্কাতু ওয়াল বুকা

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ