সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন হাতে লেখার দাবি জানালেন সাতক্ষীরার হাবিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়, সেটি আবারও প্রমাণ হলো। মাদ্রাসার শিক্ষার্থী না হয়েও নিজ হাতে আরবি ভাষাতে কোরআন শরিফ লিখেছেন সাতক্ষীরার যুবক মো. হাবিবুর রহমান। এই কোরআনকে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বড় হাতে লেখা কোরআন বলে দাবি করেছেন।

৩৩৫ সেন্টিমিটার (১০ ফুট) দৈর্ঘ্য ও ২৬৪ সেন্টিমিটার (৮ ফুট) প্রস্থ হাতে লেখা এই কোরআনে রয়েছে ১৪২টি পাতা। আর এই কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হাবিবুরের সময় লেগেছে ৬ বছর ৮ মাস ২৩ দিন। পাতার যে অংশে সূরা বা পারা শেষ হয়েছে সেখানের বাকি অংশে লেখা হয়েছে আল্লাহর নাম।

মার্জিন ও পেইজ ডিজাইনের জন্য মধুর এ নামটি এসেছে ৩ লাখ ৫০ হাজার বার। ৩০ পারার ঝকঝকে হরফে লেখা ১১৪টি সূরার এই কোরআন দেখে বোঝার উপায় নেই এটি ছাপা নাকি হাতে লেখা।

দুবাই এক্সপোতে ২০২০ বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন প্রদর্শিত হয় বলে জানিয়েছিল আরব নিউজ। ওই কোরআনের দৈর্ঘ্য ছিল ২৫৯ সেন্টিমিটার (৮. ৫ ফুট) ও প্রস্থ ছিল ১৯৮ সেন্টিমিটার (৬.৫ ফুট)।

হাবিবুর রহমানের বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পলাশপোল এলাকায়। তার বাবার নাম মো. আজিজুর রহমান। হাবিবুর ২০০৩ সালে সাতক্ষীরা শহরের পিএন মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। ২০০৫ সালে এইচএসসি ও পরবর্তিতে এলএলবি সম্পন্ন করেন। জীবনে কখনও মাদ্রাসায় না যেয়েও হাবিবুর ইউটিউব দেখে আয়ত্ব করেছেন আরবিসহ কয়েকটি ভাষা। মানবতার জন্য কিছু করার ইচ্ছা থেকেই তিনি পুরো কোরআন হাতে লিখেছেন।

হাবিবুর বলেন, ‘২০১৩ সালের দিকে আমি সাতক্ষীরা শহরের সমাজসেবা অফিসে কম্পিউটার ইনস্ট্রাকটর হিসেবে কাজ শুরু করি। সে সময় সমাজের অসহায় অবহেলিত গরীব মানুষের দূরবস্থা দেখে তাদের পাশে থেকে চিকিৎসাসেবার জন্য কিছু একটা করার আগ্রহ জাগে। তখন থেকে আমি চিন্তা করি এমন কিছু করব যেটি বিশ্ব রেকর্ড করবে। সেই চিন্তা থেকেই মাথায় আসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোরআন হাতে লেখার চিন্তা।’

তিনি আরও বলেন,‘জীবনে কখনো মাদ্রাসায় যায়নি আমি। ইউটিউব দেখেই আরবি ভাষা আয়ত্ব করেছি। আল্লাহর বাণীকে ভালোবেসে সেই বিদেশি ভাষাতেই নিজের হাতে লিখেছি আল কোরআন। শুধু লেখা নয় নিজে কোরআনের দুইটি পারাও মুখস্ত করেছি । এবার মানবতার জন্য কিছু করতে চাই।’

হামিদুর ৩ হাজার ৪০৮টি আরà§