রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
নাঙ্গলকোটে ব্যতিক্রমী সীরাত মাহফিল ও কুইজ প্রতিযোগিতা বৃহস্পতিবার জামিয়া গহরপুরের তাকমিল জামাতের শিক্ষার্থীর ইন্তেকাল ডেঙ্গুতে এক দিনে বছরের সর্বোচ্চ আক্রান্ত, মৃত্যু ৩ ‘ই-কমার্সে জালিয়াতি বন্ধ করতে ৩ ধাপে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার’  গুম প্রতিরোধে বাতিল অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার দাবি খেলাফত মজলিসের দুর্যোগসহ জরুরি পরিস্থিতিতেও দেশে খাদ্যের ঘাটতি হবে না: খাদ্যমন্ত্রী ‘বাদপড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে’  আগামী শিক্ষাবর্ষেই দেশজুড়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু হবে: ববি হাজ্জাজ হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া আরও কমানোর পরিকল্পনা সরকারের এবার নারায়ণগঞ্জ জেলা জমিয়তের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ঋণের সুদ বাড়ায় লোকসানে চিনিকল: শিল্পমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ক্রমাগত ঋণের সুদ বৃদ্ধি পাওয়ায় চিনিকলে খরচ ও লোকসান বেড়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

তিনি বলেছেন, ফসলের বহুমুখীকরণের কারণে আখ চাষ কমে যাচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আখ না পাওয়ায় চিনিকলগুলোতে লোকসান বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া, সরকারের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা না পাওয়ায় ব্যাংক হতে উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে চিনিকলগুলো পরিচালিত হচ্ছে। ফলে ক্রমাগত ঋণের সুদ বাড়ায় চিনিকলে খরচ ও লোকসান বেড়েছে।

মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে চাহিদা থাকা সত্ত্বে চিনিকলের লোকসানের কথা সংসদে জানান।

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, সরকার থেকে আখ ও চিনির মূল্য নির্ধারণ করার কারণে অনেক সময় বাজারের চাহিদা ও ভোক্তাদের বিষয় বিবেচনা করে চিনির মূল্য কমানোর প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু আখের মূল্য স্থির থাকে। এতে লোকসান বেশি হচ্ছে।

তিনি বলেন, উন্নত জাতের আখের জাত উদ্ভাবন না হওয়া, দক্ষ জনবলের অভাব এবং শ্রম নির্ভর কারখানার হওয়ায় চিনি আহরণ হার হ্রাস পেয়েছে। চিনি শিল্পকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশে ইউরিয়া সারের মজুদ (২৩ অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত) ৭ দশমিক ৩৩ লাখ মেট্রিক টন। জুন ২০২৩ পর্যন্ত নিরাপত্তা মজুদ ৮ লাখ টনসহ সারের প্রয়োজন ২৫ দশমিক ৯৬ মেট্রিক টন। প্রয়োজনীয় ২৫ দশমিক ৯৬ মেট্রিক টন স্থানীয় কারখানার উৎপাদন ও বিদেশ হতে আমদানি করে চাহিদা পুরণের পরিকল্পনা রয়েছে।

-এসআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ