সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ‘চের অ্যামি’ নামের কবুতর বাঁচিয়েছিলো ২০০ সৈন্যের জীবন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: ঘটনাটি ঘটেছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধে। একদল সেনাকে মৃত্যুর দুয়ার থেকে উদ্ধার করেছে ‘চের অ্যামি’ নামের একটি কবুতর। এ সৈন্যদের নিক্ষেপ করা হয়েছিলো মৃত্যুর মুখে। তাদেরকে অপমান করে নাম রাখা হয়েছিলো ডানাওয়ালা ইঁদুর। অবশেষে মৃত্যুর পথযাত্রী এ সৈন্যদের জীবন বাঁচিয়েছিলো এ কবুতরটি।

ইতিহাসে ‘চের অ্যামি’ কিংবদন্তি হয়ে আছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে দুই শতাধিক সৈন্যের জীবন বাঁচিয়ে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে এ কবুতর।

আশ্চর্যজনকভাবেই সে এ সৈন্যদের বাঁচিয়েছিলো। যখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মাঝামাঝি অবস্থা। কঠিন যুদ্ধ চলছে। চারদিক থেকে বোমাবৃষ্টি হচ্ছে। ঠিক তখন একটি পাহাড়ের পাদদেশে আটকা পড়ে মার্কিন সেনা বাহিনীর ৫০০ সেনা।

দিন শেষ ৫০০ সৈন্য থেকে অবশিষ্ট থাকে মাত্র ২০০। এদিকে অনবরত বোমা বর্ষণ চলছে। মার্কিন এ সেনাদের উপর শুধু জার্মানিরাই আক্রমণ করেনি। মার্কিন সেনারাও নিজেদের অজান্তে মোবা মারছিলো নিজেদের সেনাদের উপর। এ কঠিন মুহূর্তে কমান্ডার মেজর চার্লস হুইটলসি বেশ কয়েকটি কবুতর মারফত বার্তা পাঠান। শত্রু বাহিনী কবুতরগুলোকে গুলি করে মেরে ফেলে।

এ কবুতরগুলোর মাঝে ছিলো ‘চের অ্যামি’ নামের একটি কবুতর। কামন্ডার শেষ আশা নিয়ে এ কবুতরটির মাধ্যমে সাহায্যের জন্য একটি বার্তা পাঠান। ‘চের অ্যামি’ ছিলো তাদের শেষ অবলম্বন। কোনো রেডিও ফোন কিংবা তার সংযোগ ছিলো না সেসময়। ভরসা ছিলো একমাত্র কবুতর। বেশ কয়েকটি গুলি খেয়েও কবুতরটি উড়ে যায় মার্কিন ঘাটিতে। আর সাহয্য আবেদন করে তাদের কাছে।

মার্কিন বাহিনী তাদের ২০০ সৈন্যকে উদ্ধার করে। ৫০ দিনের মত এ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলে। ভয়াবহ এ যুদ্ধে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা নিহত হয়।

জানা যায়, ‘চের অ্যামি’ সৈন্যদের বাঁচাতে বোমাবর্ষণ ও গুলিবৃষ্টির মধ্য দিয়ে আধা ঘণ্টা উড়ে গিয়েছিলো মার্কিন ঘাটিতে। তার পেটে ও পায়ে গুলি লাগে। যখন ‘চের অ্যামি’ মার্কিন ঘাটিতে পৌঁছে, তার একটি পা শরীরের সাথে ঝুলছিলো।

মার্কিন পত্রিকার বরাতে আরো জানা যায়, সেনারা ‘চের অ্যামি’র অনেক উন্নত চিকিৎসা করায়। তার হারানো পা প্রতিস্থাপন করে। ‘চের অ্যামি’ সেনাবাহিনীর থেকে সাহসিকতার জন্য একটি পদকও লাভ করে। তাকে বিশ্বযà