কাউসার লাবীব।।
সাব-এডিটর
কিতাব বা বই জ্ঞানার্জনের অন্যতম মাধ্যম। অবসরের বন্ধু। দুঃখ সুখের সাথী। আলোর দিশারী। পথচলার প্রেরণা। এসব কারণে সচেতন মানুষের রয়েছে বইয়ের প্রতি প্রচন্ড আগ্রহ।বই সামনে পেলেই রেখে আসে না। কিনে ফেলে শত কষ্ট হলেও। এভাবে এক দুই করে গড়ে ওঠে মনের মাধুরী মেশানো ছোট্ট একটি পাঠাগার বা কুতুব খানা। ভালবাসার আবির মিশে থাকে প্রতিটি বইয়ে।
বইয়ের প্রতি আগ্রহ কুর্নিশ তুল্য। বইয়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসাকে জানাতে হয় সাধুবাদ। তবে একেত্রে সবার আগে আপনাকে জানতে হবে কেমন কিতাব বা বইয়ের প্রেমে আপনার পড়া উচিৎ। দূরে থাকা উচিৎ কেমন বই থেকে। তাছাড়া মনের মাধুরী মিশিয়ে একটি কুতুবখানা কীভাবে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সহজভাবে গড়ে তোলা যায় তাও আপনাকে জানতে হবে।তাই আজ বইপ্রেমী আলেম, মুফতি আবদুল মালেক হাফিজাহুল্লাহর এ বিষয়ে লেখা একটি রচনা পাঠকের জন্য তুলে ধরছি-
যদি আপনার কিতাবের প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ থাকে তাহলে কিতাব সংগ্রহের ক্ষেত্রে আপনাকে দুটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে।এক- গ্রন্থ নির্বাচন দুই- গ্রন্থ সংগ্রহ।
গ্রন্থ নির্বাচনের বিষয়ে ‘আলআহাম ফালআহাম’ নীতি অনুসরণ করা ছাড়া উপায় নেই। এরপরেও কুতুবখানায় বিষয়-বৈচিত্র থাকা চাই। কুতুবখানা আয়তনে ছোট হলেও তাতে প্রয়োজনীয় সব বিষয়েরই একটা, দুটা কিতাব থাকা প্রয়োজন।
কী কিতাব এবং তার কোন সংস্করণ সংগ্রহ করবেন-এবিষয়ে তা’লীমী মুরববী ও কিতাবপত্রের খোঁজখবর রাখেন এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন। নিজেও বিভিন্ন কুতুবখানা : ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত পাঠাগার ইত্যাদি ঘুরে ঘুরে দেখবেন। তিজারতী কুতুবখানাগুলোর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা চাই। মুতালাআর যওকের সঙ্গে যদি এ বিষয়টা যুক্ত হয় তাহলে আপনার নিজের মধ্যেও গ্রন্থ নির্বাচনের রুচি ও যোগ্যতা তৈরি হবে।
এ বিষয়ে একটা কথা এই যে, কিছু কিছু ব্যক্তিত্ব রয়েছেন যাদের সকল রচনা সংগ্রহ করার মতো (যদি সম্ভব হয়)। বর্তমান সময়ে এ ধরনের ব্যক্তিত্বের মধ্যে হাকীমুল উম্মত থানভী রাহ., শায়খ যাহেদ কাউছারী রাহ., মুফতী মুহাম্মাদ শফী রাহ., হযরত মাওলানা আবুল হাসান আলী নাদভী রাহ., হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ মনযুর নুমানী রাহ., হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রশীদ নুমানী রাহ., শায়খ আবদুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রাহ., হযরত মাওলানা ইউসুফ লুধিয়ানভী রাহ., à¦