সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

বিশ্বের প্রথম স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা নারী সাহাবি রুফাইদা রা.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাঈয়েদা হাবিবা: করোনা মহামারির প্রায় তিন বছর হতে চলেছে। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যখাতে কাজ করা মানুষগুলো এ সময়ে হয়ে উঠেছেন প্রথম সারির দায়িত্ব পালনকারী বা যোদ্ধা। মানুষের সেবা করতে করতেই অনেকে চলে যাচ্ছেন পরপারে। এই সময়ে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা এই শব্দগুলি বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। চিকিৎসাশাস্ত্রে ইবনে সিনা, আল-বেরুনি, আত-তাবারি, আল-রাজি, ইবনে রুশদ, আলী আল মাউসুলি প্রমুখের নাম ইতিহাসের পাতায় বিমুগ্ধ খুশবু ছড়াচ্ছে। তারা চিকিৎসাশাস্ত্রের কীর্তিমান মহাপুরুষ। তাদের হাতেই চিকিৎসাশাস্ত্রের সূচনা ও জয় হয়েছে। আর তারা চিকিৎসাশাস্ত্রের ধারণা ও অনুপ্রেরণা নিয়েছেন কোরআন ও হাদিস থেকেই।

গ্রিকদেরকে ঔষধের আবিষ্কর্তা বা প্রবর্তক হিসেবে কৃতিত্ব দেয়া হয়। অথচ তাদের কোন হাসপাতাল ছিল না। চিকিৎসকরা বাড়িতে রোগীদের চিকিৎসা করতেন। শত শত বছর ধরে চলে এসেছে এই প্রচরণ। “হাসপাতাল” শব্দটি প্রথম রোমানরা আবিষ্কার করলেও এটি ল্যাটিন শব্দ থেকে এসেছে।

রুফাইদা আল আসলামিয়া (রা.) একজন মহীয়সী নারী। তিনি ছিলেন এক আনসারী সাহাবিয়া। খাযরাজের শাখাগোত্র আসলামের এক উজ্জ্বল প্রদীপ। সারাজীবন তিনি অন্যের ঘরে আলো জ্বেলেছেন। প্রদীপ-হাতে ঘুরে বেরিয়েছেন। যেখানেই প্রয়োজন-ছুটে গিয়েছেন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ইসলামের ইতিহাসে মদিনায় প্রথম স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশায় স্থাপন করা হয়েছিল প্রথম এই হাসপাতাল। সপ্তম শতকের দিকে এসে তা আরো বিস্তৃতি লাভ করে। মুসলিমরা ব্যাপকভাবে নার্সিং বা স্বাস্থ্যকর্মী, ডাক্তার ও ওষুধের বিস্তৃতি নিয়ে কাজ করেন। এই সবকিছুর অগ্রভাগে উদাহরণ হিসাবে ছিলেন রুফাইদা আল আসলামিয়া। একজন অনবদ্য মুসলিমা। তিনি ইসলামের প্রথম দিকে বিজ্ঞান আর চিকিৎসার মাঝে অবিসংবাদিত সংযোগ স্থাপন করেছিলেন।

রুফাইদা (রা.) এর মত আরো অনেক নারী সাহাবী জিহাদের কঠিন মুহূর্তে আহতদের সেবা করতেন। বিশেষত আসলাম গোত্রের নারীরা। এই গোত্রেরই আরেক নারী হলেন উম্মে সিনান আসলামী। নবী (সা.) এর কাছে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন; আহতদের ঘায়ে মলম, পিপাসার্তের মুখে পানি- এসব গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার জ