আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন ৬ বোর্ড প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বৈঠকে কওমি মাদরাসার সিলেবাসে নতুন বিন্যাস হয়েছে। অথরিটির চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে মে মাসের ২৮ তারিখে অনুষ্ঠিত নেসাব উপকমিটির সভায় সর্বসম্মতভাবে এ সিদ্ধন্ত গৃহীত হয়। ১৪৪৪-১৪৪৫ হিজরি শিক্ষাবর্ষ থেকে বিষয়গুলো বাস্তবায়নের জন্য আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন ৬ বোর্ডকে আশু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধও করেছে সংস্থাটি। বছর বাড়লেও এ সনদের কার্যকারিতা কবে বা কীভাবে মূল্যায়ন করবেন কতৃপক্ষ। এসব বিষয়ে আল হাইয়াতুল উলিয়া কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি মোহাম্মদ আলী সঙ্গে কথা বলেছেন নির্বাহী সম্পাদক আবদুল্লাহ তামিম।
৯ বছরের বদলে ১৬ বছরের সিলেবাস বিন্যাসে কার্যকারিতার পদ্ধতি বিষয়ে আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া ইদারাতুল উলূম আফতাব নগর মাদরাসার মুহতামিম ও আল হাইয়াতুল উলিয়া কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা আসলে নতুন করে কোনো সিলেবাস করিনি। ৯ বছর কোনো কিছু ছিলো না। ছিলো ১৪ বছর। দুই বছর কমানো হয়েছিলো। এখন আবার ১৬ বছর করা হয়েছে। ১৬ বছরের শিক্ষাবর্ষ আসলে নতুন কিছু নয়। শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়ন আমাদের লক্ষ্য। আমরা যেটা নয় বছর ধরি এটা ইবতেদায়ী থেকে নয় বছর ধরি। এর আগে ছয় বছর পড়াশোনা আছে। এর আগে আছে রওজাতুল আতফাল। প্রাক প্রাথমিকের আরেকটা ক্লাস আছে। ঐটাসহ মোট ১৬ বছর হয়।
মূলত এ শিক্ষাবর্ষ আমাদের আগের থেকেই ছিলো। পরবর্তিতে কোথাও কোথাও হেদায়া বাদ দেয়া হয়েছে। কোথাও কাফিয়া বাদ দেয়া হয়েছে। এভাবে শিক্ষাবর্ষ কমে এসেছিলো। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম যে এ দুইটা জামাত না থাকায় ছাত্রদের যোগ্যতা কম হচ্ছে। তাই আমরা এটা এড করে দিয়েছি।
এখানে নতুন কিছু হয়নি। মাঝে শর্ট করা হয়েছিলো। এখন কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি হাইয়াতুল উলয়ার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করে দেখেছে। ছাত্রদের মানোন্নয়নের লক্ষ্যেই দুই বছর না ছেড়ে পূর্ণ সিলেবাস তৈরি করেছে। এটাই বাধ্যতামূলক সিলেবাস। ইনশাআল্লাহ পর্যাক্রমে এটা যথাযথ কার্যকর হবে। নতুন কিছু করা হয়নি। বরং আমরা আগের জায়গায় ফিরে গিয়েছি।
কোন প্রয়োজনীয়তার জন্যে হাইয়াতুল উলইয়া আবারো ১৬ বছরের সিলেবাসে ফিà