আবদুল্লাহ তামিম।। পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। মূল সেতুর কাজ করেছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। এর অ্যাপ্রোচ সড়ক ১২ দশমিক ১১৭ কিলোমিটার। ভায়াডাক্ট ৩ দশমিক ১৪৮ কিলোমিটার (সড়ক) এবং ৫৩২ মিটার (রেল)। পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য মোট খরচ হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এর জন্য জমি অধিগ্রহণ করতে হয়েছে ১ হাজার ৪৭১ হেক্টর। এর পাশাপাশি মাওয়া প্রান্তে ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার ও জাজিরা প্রান্তে ১২ দশমিক ৪ কিলোমিটার নদী শাসন করতে হয়েছে।
আজ শনিবার সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে দেশের দীর্ঘতম এ সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সেতু নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানিয়েছেন দেশে সর্বোস্তরের জনগণ। আলেমরাও লিখেছেন পদ্মা সেতু নিয়ে। অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে।
শোলাকিয়া জাতীয় ঈদগাহের ইমাম, জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার সভাপতি, ইকরা বাংলাদেশের পরিচালক আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পদ্মাসেতু বাংলাদেশের সক্ষমতা, উন্নয়ন ও মর্যাদার প্রতীক। পদ্মাসেতু আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পথনকশায় এক নতুন আশা-সঞ্চারি মাইলফলক। এর মাধ্যমে কেবল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নয়, ইনশাআল্লাহ পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতিই বদলে যাবে। দেশের প্রতিটি নাগরিকই এর সুফল ভোগ করবে। এই গৌরবের অংশীদার আমরা সবাই।
আল্লামা মাসঊদ বলেন, আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় এবং অশেষ কৃপায় নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে পদ্মাসেতু বাস্তবে রূপ নিয়েছে। সারা পৃথিবী একসাথে বিরোধিতা করলেও আল্লাহ যা চান তাই হয়ে থাকে। কোটি কোটি বান্দার প্রার্থনা আল্লাহ কবুল করেছেন, তিনি চেয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর হোক, এজন্যই বিশ্বব্যাংক পদ্মাসেতু প্রকল্পের অর্থায়ন বাতিল করার পরেও নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ করতে আà