শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

আরবি ক্যালিগ্রাফিতে চমক দেখিয়ে যাচ্ছেন উমামা সালসাবিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।। মুহাম্মাদ ইশতিয়াক সিদ্দিকী ।।

হাটহাজারী প্রতিনিধি>

বাংলাদেশে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে ওঠছে ক্যালিগ্রাফি। সাধারণ মানুষের চাহিদা বেড়েই চলেছে ক্যালিগ্রাফির প্রতি। আরবী ও বাংলা ক্যালিগ্রাফি ব্যাপকভাবে মুসলিম তরুণ- তরুণীদের শিল্পচর্চা হয়ে ওঠছে।

ইতিহাসবিদদের তথ্য মতে জানা যায়, ইসলাম আগমনের আগে থেকেই আরবে ক্যালিওগ্রাফির চর্চা ছিল প্রচুর। মক্কা নগরীতে আরবি লিপির প্রথম প্রচলন করেন বিশর ইবনে আবদুল মালিক আল কিন্দি। শুরুর দিকে কুরআনের লিপি আজকের দিনের মত এত সুন্দর ও পরিপাটি ছিল না। ক্যালিগ্রাফি যেমন প্রতিনিয়ত তার অতীত সৌন্দর্যকে ছাড়িয়ে যায় ঠিক তেমনি নতুনত্ব খোঁজে পায় নতুন শিল্পের ছোঁয়ায়।

চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদেরে ক্যালিগ্রাফার তরুণী উমামা সালসাবিল রিনাম।। পরিবারের বড় মেয়ে। বর্তমান সে  আইআইইউসির ফার্মেসি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী। তার সাথে কথা বলে জানতে পারি, তিনি ছোট থেকে রঙের তুলি দিয়ে ক্যানভাসে, পেপারে বা দেয়ালে, যখন যা হাতে পেতো আঁকাআঁকি করতেন।

No description available.

তার ক্যালিগ্রাফি জগতে আসার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, একসময় ছবি আঁকতাম। যখন জানতে পারলাম ছবি আঁকা হারাম, তখন এ কাজ ছেড়ে দিই।

একদিন ফেসবুকের টাইমলাইনে আমার চোখে পড়ে আরবী ক্যালিগ্রাফির ছবি। এতে অন্য রকম এক ভালোলাগা কাজ করে।  এরপর থেকে আমি ঝুঁকে পড়ি আরবীর প্রতি। শেখার চেষ্টা করি। এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখি।

তিনি বলেন, পড়া-লেখার পাশাপাশি অবসর সময়ে রঙের কাজ কিংবা ক্যালিগ্রাফি করতে সাচ্ছান্দ্যবোধ করি। রঙের তুলির আঁচড়ে সাত রঙের খেলায় মেতে থাকি অবসর সময়গুলোতে, বাকি সময়টা পড়া-লেখা নিয়ে কাটাই।

উমামা সালসাবিল রিনাম আন্তর্জাতিক থেকে নিয়ে ছোটখাটো অনেক কম্পিটিশনের অংশগ্রহণ করেন। সাফল্য নিয়ে আসেন একের পর এক। তার থেকে আরো জানতে চাইলে বলেন, সবচে' আনন্দ হয় যখন নতুন কিছু শিখতে পারি। নতুন কিছু  দেখলে তা শেখার চেষ্টা করি। আর শেখার শেষ নেই।

যখন থেকে বুঝতে শিখেছি, তখন থেকেই শিখছি। শেখাটা আমার জীবনে আরো নতুনত্ব যোগ করে আরো নতুন কিছু দিয়ে। আমি ক্যালিগ্রাফি জগতে পা দিতে গিয়ে পরিচিত হয়েছি অনেক গুরু ও খ্যাতনামা শিল্পীদের সঙ্গে। যাদের সংস্পর্শে পেয়েছি অনেককিছু। তাদের অন্যতম বাংলাদেশের খ্যাতনামা শিল্পী মাহবুব মুর্শিদ স্যার ও জনাব সেকান্দর মেহেদি এবং বাংলাদেশের তরুণ ক্যালিগ্রাফার জনাব মোল্লা হানিফ।

আমি এখনো বাংলা ক্যালিগ্রাফি শিখছি, তবে বাংলার চেয়ে আরবী ক্যালিগ্রাফির প্রতি বেশি টান অনুভব করি। কোরআনের প্রতিটি অক্ষর শিল্পের মাধ্যমে প্রকাশ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।  এভাবে যেন কাজ করে যেতে পারি।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ