বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হারামাইন প্রশাসনের সঙ্গে সুগন্ধি প্রতিষ্ঠানের তিন বছরের চুক্তি ‘মাওলানার সঙ্গে যা কথা বলেছি, কবরে নিয়ে যাব তবু প্রকাশ করব না’ ভেনেজুয়েলার পর এবার জাপানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ‘ট্রাম্পকে চাপের মুখে ফেলছেন নেতানিয়াহু’ শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় জমিয়তের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত ছাড়াতে পারে ১০ হাজার দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ভারতে গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগে সিলগালা বিয়ের হল, গ্রেপ্তার ৪

সোলাইমানি হত্যার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে মার্কিন সেনা বিষয়ে যা বললেন মেয়ে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানির মেয়ে জয়নাব সোলাইমানি বলেছেন, ইরাক থেকে সকল মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হলে তার বাবাকে হারানোর বেদনা আনন্দে রূপান্তরিত হবে।

শোকানুষ্ঠানে জয়নাব আরো বলেন, জেনারেল সোলাইমানি ও  আল-মুহান্দিসের রক্তের প্রতিশোধ নেয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

জেনারেল সোলাইমানির মৃত্যুর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে রোববার ইরাকের রাজধানী বাগদাদে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে এ মন্তব্য করেন জয়নাব সোলাইমানি।

২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ভোরের দিকে জেনারেল সোলাইমানি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন উগ্রবাদী সেনাদের হামলায় মৃত্যূ বরণ করেন। তিনি ছাড়াও তাকে স্বাগত জানাতে আসা ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাশদ আশ শাবির সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু মাহদি আল মোহান্দেসও একই হামলায় মারা যান।

রোববার বাগদাদের শোকানুষ্ঠানে জয়নাব আরো বলেন, জেনারেল সোলাইমানি ও  আল-মুহান্দিসের রক্তের প্রতিশোধ নেয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

তিনি বলেন, জেনারেল সোলাইমানি অন্তরের অন্তস্তল থেকে ইরাককে ভালোবাসতেন এবং একটি শক্তিশালী ইরাক প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন।

অনুষ্ঠানে আবু মাহদি আল-মুহান্দিসের মেয়ে মিনারা জামাল আল-মুহান্দিস আমেরিকা ও সৌদি সরকারের কাছ থেকে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের আহ্বান জানান। বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার স্থানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে লাখ লাখ ইরাকি নাগরিক অংশগ্রহণ করেন এবং সেখানে ইরান ও ইরাকের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ