নুরুদ্দীন তাসলিম।।
ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, সহিংসতা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ঘটেই চলেছে। নির্বাচনী মাঠে নানা ইস্যুতে চলছে সংঘাত-সহিংসতা। প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে মারমুখী আচরণে। ফলে চলতি বছরেই নির্বাচনী সহিংসতায় মারা গেছে ৩৮ জন। আর আহত হয়েছেন ২ হাজারের বেশি নেতাকর্মী ও সমর্থক।
এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন কেউ কেউ।
[caption id="" align="alignnone" width="325"]
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।[/caption]
সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বিগ্ন সিইসি নিজেও
চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে গত ২ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছেন এসব ঘটনায় নির্বাচন কমিশন বিব্রত ও উদ্বিগ্ন। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা ইতিবাচক নয় বলেও মন্তব্য করেন সিইসি।
এ সময় সিইসির পাশে থাকা নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা। আমরা ম্যাসেজ দিতে চাই, এ ধরনের ঘটনা ঘটলে এর দায় তাদের উপরও বর্তাবে।
সিইসির এমন বক্তব্যও আশ্বাসের পরও থামছে না নির্বাচনী সহিংসতা। গতকালও কক্সবাজারে সহিংসতায় আহত হওয়ার পর মারা গেছেন জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ-সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।
[caption id="" align="alignnone" width="300"]
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া।[/caption]
‘উদ্বেগের কারণ কেন চিহ্নিত করছে না সিইসি’
এই সংঘর্ষের পেছনে দেশে গণতন্ত্র ও সুস্থ রাজনীতির চর্চা না থাকা এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত না হওয়াকে প্রধান কারণ বলে মনে করেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া ।
এছাড়াও এই ইসলামি রাজনীতিবিদের দৃষ্টিতে, ‘নির্বাচন কমিশন স্বাধীন নয়। তাদের হাতে যে ক্ষমতা আছে তারা এর সঠà