সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস বিএনপি-জামায়াত আমলে আলিয়া মাদরাসা বাড়ে ১৫৪১টি, আ.লীগ আমলে কমেছে ১৭৯টি আলী মিয়াঁ নদভীকে নিয়ে বই লিখে দিল্লি উর্দু একাডেমির পুরস্কার লাভ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হেফাজতের শোক, ক্ষতিপূরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলার নিন্দা পাকিস্তানসহ ৪ দেশের  বিশ্বজয়ী হাফেজ হিরাকে শুভেচ্ছা জানালেন মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ২০২৭ সালে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, তারিখ চূড়ান্ত

তালিবুল ইলমকে কিতাব বুঝে পড়ার আহ্বান মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেকের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সুনানে দারেমীতে (কিতাবুল ইলম, ৩০৯-৩১০) হযরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন-

لا خير في عبادة لا علم فيها، ولا خير في علم لا فهم فيه، ولا خير في قراءة لا تدبر فيها.

অর্থাৎ যে ইবাদত ইলম-নির্ভর নয় তাতে কোনো কল্যাণ নেই। যে ইলম বুঝে অর্জন করা হয় না তাতে কোনো ফায়েদা নেই। আর যে অধ্যয়নের মাঝে চিন্তা-ফিকির নেই তা ফলপ্রসূ হয় না।

এই আছরটি ইবনে আবদুল বার রাহ.-এর জামিউ বায়ানিল ইলম (২/৪৪-৪৫)-এ আছে।

সুয়ূতী রাহ. আলহাবীতে জাহিযের এই উক্তি বর্ণনা করেছেন-

إذا نكح الفكر الحفظ ولد العجائب

হিফযের সাথে যখন চিন্তত্ম মিলন ঘটে তখন ফল হয় অভাবিত। একথা স্বতঃসিদ্ধ যে, ইলম শুধু পড়ার নাম নয়, এমনকি মুখস্থ করারও নাম নয়। ইলমের জন্য পড়ার সাথে বুঝাও জরুরি। আর এই বুঝশক্তিকে কাজে লাগিয়ে জানা বিষয় নিয়ে চিন্তা-ফিকির করার নাম ‘তাদাববুর’। যখন তালিবুল ইলমের মাঝে ফিক্হ ও তাদাববুর-এ দুই জিনিসের সমাবেশ ঘটবে তখন আল্লাহর ফযলে সে ইলমের নতুন নতুন বিষয় সামনে আনতে সক্ষম হবে।

যে সকল বিষয় নিরেট ইবাদত, যেমন-কুরআন তিলাওয়াত, যিকির, দুআ ইত্যাদি আমলও বুঝে করা ও চিন্তা-ভাবনার সাথে করা কাম্য। কিন্তু এ সকল ইবাদত বুঝে না করলেও ছওয়াব পাওয়া যাবে। এবং ছওয়াবের সাথে সাথে আরো কিছু ফায়েদা হাসিল হবে। তেমনিভাবে সংগত কারণেই শিক্ষার সূচনাও হয় (অর্থ ও বুঝা ছাড়া) শুধু পড়ার মাধ্যমে। এ বিষয়গুলো আপন স্থানে ঠিক আছে। কিন্তু দ্বীন অনুযায়ী চলার জন্য যে ইলমের প্রয়োজন তা বুঝ সহ ইলম। বুঝা ছাড়া শুধু পড়ার দ্বারা ইলমের মাকছাদ হাসিল হবে না। আর ইহইয়ায়ে সুন্নত ও ইকামতে দ্বীনের জন্য তো পুরোপুরি তাফাক্কুহ ফিদ্দীন ও রুসূখ ফিল ইলমের মাকামে উত্তীর্ণ হওয়া প্রয়োজন।

স্মরণ রাখুন, কিতাব বুঝে পড়া আর না বুঝে পড়ার মাঝে আসমান-যমীনের ব্যবধান। আর কিতাব বুঝার সর্বনিম্ন স্তর হল, তালিবুল ইলম যে বহস পড়বে নিজের ভাষায় উক্ত বহসের খুলাসা পেশ করতে পারে এবং যে বোঝে না তাকে বোঝাতে পারে। বিভিন্নভাবে ঐ বহসের তামরীন করতে পারে এবং অন্যকে তামরীন করাতে পারে।

বোঝা এবং না বোঝা দুটি বিপরীত শব্দ এবং উভয় শব্দের অর্থও স্পষ্ট। তা সত্ত্বেও অধিকাংশ তালিবুল ইলমের কাছে বিষয়টি যেন এক ধাঁধাঁ। তারা অসম্পূর্ণ বুঝকে পূর্ণ বুঝ মনে করে। অস্পষ্ট বুঝকে স্পষ্ট ও স্বচ্ছ বুà