শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসার পরিচালক ও দায়িত্বশীলদের সজাগ থাকার আহ্বান ঢাকার দুই সিটিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: জমিয়ত ‘কোরআন-সুন্নাহ ও আকাবিরের পদাঙ্ক অনুসরণেই প্রকৃত শান্তি সম্ভব’ ইসলামি দলগুলোর ঐক্য নষ্ট করেছে জামায়াত: পীর সাহেব চরমোনাই মানবতার মুক্তিতে পূর্ণাঙ্গ দীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খেলাফত মজলিস হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় মতপার্থক্য ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  বরিশালে ইসলামী আন্দোলন সমর্থিত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা

বাবরের অবৈধ সম্পদের মামলার রায় ১২ অক্টোবর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলার রায়ের জন্য আগামী ১২ অক্টোবর ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (৪ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মো. শহিদুল ইসলামের আদালত দুদক এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের এ তারিখ ধার্য করেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ২১ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান লুৎফুজ্জামান বাবর। ৩০ সেপ্টেম্বর দুদকের পক্ষ থেকে যুক্তিতর্ক তুলে ধরা হয়। এরপর বাবরের পক্ষে তার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন। রোববার বাবরের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেন তিনি।

২০০৭ সালের ২৮ মে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হন বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা হয়।

মামলাটি ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি রমনা থানায় দায়ের করা হয়। সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৬ জুলাই দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে বাবরের বিরুদ্ধে সাত কোটি পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ রাখার অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি দুদকে ছয় কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন। তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক দুইটি এফডিআর-এ ছয় কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপনের কথা উল্লেখ করা হয়।

একই বছরের ১২ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ