শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: জমিয়ত ‘কোরআন-সুন্নাহ ও আকাবিরের পদাঙ্ক অনুসরণেই প্রকৃত শান্তি সম্ভব’ ইসলামি দলগুলোর ঐক্য নষ্ট করেছে জামায়াত: পীর সাহেব চরমোনাই মানবতার মুক্তিতে পূর্ণাঙ্গ দীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খেলাফত মজলিস হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় মতপার্থক্য ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  বরিশালে ইসলামী আন্দোলন সমর্থিত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা ইকরা আইডিয়ালের হিফজ সমাপনী পাগড়ি প্রদান ও অভিভাবক সম্মেলন অনুষ্ঠিত চতুর্থবারের মতো শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠকের সম্মাননা পেলেন আমিনুল হক সাদী মসজিদে নববির আঙিনায় মুসল্লিদের ছায়া দিচ্ছে ২৫০ বিশাল ছাতা

করোনা চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম কার্যকরি পিল নিয়ে এসেছে মার্কিন ওষুধ কোম্পানী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রথম কার্যকর অ্যান্টিভাইরাল পিল নিয়ে এসেছে মার্কিন ওষুধ কোম্পানি মার্ক। কোম্পানিটি বলছে, তাদের তৈরি ওষুধ মলনুপিরাভির ভয়াবহ ঝুঁকিতে থাকা কভিড রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম।

গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মার্ক জানিয়েছে, সহযোগী রিজেবাকের সঙ্গে মিলে তারা যুক্তরাষ্ট্রে এ ওষুধের জরুরি ব্যবহারের অনুমতি চাইবে। পাশাপাশি অন্যান্য দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছেও মলনুপিরাভিরের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন চাওয়া হবে। পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই এ ওষুধের তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের ইতি টেনেছে মার্ক।

কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রবার্ট ডেভিস বলেন, কভিডের চিকিৎসা নিয়ে সব আলোচনাই এ ওষুধ বদলে দেবে।

মলনুপিরাভির তৈরি করা হয়েছে এমনভাবে, যা ভাইরাসের জেনেটিক কোডে পরিবর্তন আনবে। জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেলে মলনুপিরাভির হবে কভিড চিকিৎসার প্রথম অনুমোদিত মুখে খাওয়ার অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. রবার্ট শেফার বলেছেন, এ পিলটি সারাবিশ্বের হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচাবে বলে আশা করা যায়।

একজন কভিড রোগীকে দৈনিক দুইবার ৪টি করে ৫ দিন এ ক্যাপসুল খেতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইতোমধ্যে মার্কের ১৭ লাখ পিল কিনে নিয়েছে। একজন রোগীর জন্য এতে খরচ হবে ৭০০ ডলার।

প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি রোশ ও ফাইজারও কভিডের মুখে খাওয়ার ওষুধ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত তারা কেবল অ্যান্টিবডি ককটেল তৈরি করতে পেরেছে, যা নিতে হয় শিরায় ইনজেকশনের মাধ্যমে। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস ও রয়টার্স

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ