আবদুর রশীদ।।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. ছিলেন সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব। যিনি মানুষের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সর্বদা কাজ করেছেন৷ তিনি যেমনি ছিলেন দয়ালু ও অতিব কোমল হৃদয়ের অধিকারী, তেমনি ছিলেন জুলুম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধী৷ তিনি ছিলেন মানবজাতির পথপ্রদর্শক এবং তাঁর জীবন জুড়ে রয়েছে মানবজাতির জন্য অনুপম আদর্শ৷ একমাত্র তাঁর আদর্শে একটি জাতি সভ্য ও সফল হিসেবে গড়ে উঠতে সক্ষম৷
রাসূল সা. এর জীবনের এমন একটি কাজ রয়েছে যা আজও মানবজাতিকে শান্তির পথ দেখিয়ে আসছে৷ যার নাম 'হিলফুল ফুজুল' বা শান্তিসংঘ৷ মাত্র ২৫ বছর বয়সে, নবুয়তপ্রাপ্তির ১৫ বছর পূর্বে তিনি এ কাজটি করেছিলেন৷ রাসূল সা. আরব সমাজের অনৈতিকতা, শোষণ ও নির্যাতন বন্ধের লক্ষ্যে তাঁর সমবয়সী কিছু যুবককে নিয়ে এই 'হিলফুল ফুজুল' বা শান্তিসংঘ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন৷ এ সংঘের প্রতিটি কর্মসূচি প্রতিটি যুবসমাজের জন্য শিক্ষনীয়৷ একটি আদর্শ সমাজ গঠনে বর্তমান 'হিলফুল ফুজুল'-এর নীতিমালা প্রয়োগ খুবই জরুরী ৷
'হিলফুল ফুজুল'-এর নীতিমালা বর্তমান সমাজে প্রয়োগের মাধ্যমে যেভাবে আদর্শ সমাজ গঠন করা যায়—
মজলুম ও অসহায়দের সাহায্য করা: সমাজে নানা প্রকৃতির মানুষের বসবাস একটি প্রাকৃতিক বিষয়৷ ধনী-গরিব, বড়-ছোট ও সাধা-কালো বিভিন্ন স্বভাবের মানুষ একটি সমাজে জীবন কালাতিপাত করে৷ তাই মাঝে মাঝে গরিবরা ধনীদের কর্তৃক শোষিত হয়, ছোটরা বড়দের কর্তৃক শাসিত হয় এবং কালো মানুষ সাধা মানুষ কর্তৃক হেয় প্রতিপন্নতার পাত্র হয়৷ অসহায় মানুষের অবস্থান চরম অসহায়ত্বে নিমজ্জিত হয় এবং সমাজে জালেমদের কর্তৃক সাধারণ মানুষ জুলুমের শিকার হয়৷ সুতরাং, সমাজের এই অপনীতি রোধ করতে হলে জালেমদের জুলুম রুকতে এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে একটি 'হিলফুল ফুজুল'-এর মত যুবকদের নিয়ে শক্তিশালী ন্যায়নীতি সংঘ প্রতিষ্ঠা করতে হবে৷
যারা সমাজের সর্বপ্রকার অন্যায় বন্ধে নিজেদের উৎসর্গ করবে৷ অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে এবং সামাজিক শৃঙ্খলতার কাজে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ক্ষেত্রে অর্থের প্রয়োজনীয়তা একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়৷ তাই এর জন্য অর্থনৈতিক 'কর্জে হাসানা' ফান্ড প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য৷
সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা: সমাজে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় সমস্যা দেখা দেওয়া স্বাভাà¦