বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
এমপিদের নম্বর হ্যাক করে টাকা দাবি, সতর্ক করলেন চিফ হুইপ ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের জন্য ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ধর্মমন্ত্রী মক্কা বিজয়—ক্ষমার সর্বশ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত র‌্যাব বিলুপ্ত, সংসদে নতুন বাহিনী ‘এসআরবি’ বিল পাস ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায় ‘ভারতের ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের কোনও প্রতিনিধি অংশ নেবে না’  যাচাই বাছাই ছাড়া সংবাদ সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে: হাবিবুর রশিদ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইলম, আমল ও সমাজসংস্কারে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এনায়েতুল্লাহ বদরপুরী (রহ.) হাম উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১ হাজার ১৯৪

শুক্র শনিবার হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিন: সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. মিলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শুক্র ও শনিবার সারা দেশের অফিস-আদালত বন্ধ থাকে। করোনা সংক্রমণের মধ্যেও এ দুই দিন এসএসসি পরীক্ষার্থী, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া যেত। জাতিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে শুক্র ও শনিবার হলেও স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খোলা উচিত। করোনা সংক্রমণের উচ্চহারের সময়েও এ দুই দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যেতে পারে।

গতকাল বুধবার (১১ আগস্ট) দেশের একটি গণমাধ্যেমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ড. মিলন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না থাকায় এ কথাই প্রতীয়মান হয়েছে যে শিক্ষার্থীদের শেখানোর কোনো ইচ্ছা নেই সরকারের। এভাবে একটি জাতিকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, গত বছরের পুরোটা সময় করোনা সংক্রমণ কম ছিল। তখন পর্যটনসহ প্রায় সব খাত খুলে দিয়েছিল সরকার। কিন্তু তখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়নি। সরকার বলছে সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে স্কুল-কলেজ খোলা হবে, যদিও গত বছর সংক্রমণে নিম্নহার থাকলেও খোলা হয়নি। সরকারের উচিত ছিল আগেই শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সবার ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা। তা করতেও সরকার ব্যর্থ হয়েছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, করোনার মধ্যে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সরাসরি পাঠদান বন্ধ রেখে নবম ও দশম শ্রেণিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস করানো যেত। একইভাবে কলেজ পর্যায়ে দ্বাদশের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাসে এনে পড়ানো যেত। তাহলে পরীক্ষাও যথাসময়ে নেওয়া যেত, অটো পাস দিতে হতো না। সরকারের অদূরদর্শিতার কারণে এসব সিদ্ধান্তও নেওয়া সম্ভব হয়নি। পড়াশোনার চিন্তা বাদ দিয়ে সরকার এখন শুধু পরীক্ষার কথা চিন্তা করছে।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ