ভারতের জামিয়া ইশাআতুল ইসলাম আক্কেলকুয়ার উদ্যোগে জামিয়ার শিক্ষকবৃন্দ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের গবেষক খ্যাতিমান আলেমদের নিয়ে আয়োজিত একটি অনলাইন কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে শায়খুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী মূল্যবান নির্দেশনা প্রদান করেন।
আমরা তো অধিকাংশ সময় দরস-তাদরিস নিয়েই ব্যস্ত থাকি। এ সময়ে সবকের প্রতি খুবই গুরুত্ব দেয়া হয়। যে কারণে বাইরের কিছু মুতালাআ করা কঠিন হয়ে থাকে। অন্য কিছু করাও সম্ভব হয় না। করোনা তো একটি মসিবত, কিন্তু আল্লাহ তায়ালা সবকিছুর মধ্যেই কিছু কল্যাণকর দিকও সৃষ্টি করেন, কিছু অকল্যাণকর দিকও।
এই অকল্যাণের মধ্যেও তিনি আমাদেরকে এ কল্যাণ দান করেছেন, এতে আমাদের হাতে অনেক সময় এসেছে। লকডাউনে দরস-তাদরিসের বাইরে এমন অনেক কাজ, যা আমরা সাধারণ পরিস্থিতিতে দরস-তাদরিসের ব্যস্ততার কারণে করতে পারি না, সেসব কাজ করার তিনি তৌফিক দিচ্ছেন। আমি স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার শোকর আদায় করছি—করোনার লকডাউনের সময়টুকুতে (যদিও এখন আমাদের পাকিস্তানে লকডাউন নেই) আল্লাহ তায়ালা আমাকে সফর থেকে মুক্ত রেখেছেন।
এর মধ্য দিয়ে আল্লাহ আমাকে অনেক কাজ করার তৌফিক দিয়েছেন, যেগুলো ইতিপূর্বে করা হয়ে উঠে নি, এখন হচ্ছে।
আপনারা তো মাশাআল্লাহ উলামায়ে কেরাম। আলেমদেরকে নসিহত করার মতো যোগ্যতা আমার নেই। আপনাদের ইলমও তাজা। আপনাদেরকে আমি কী নসিহত করব? তবে বুজুর্গদের কাছ থেকে যা কিছু শুনেছি তার আলোকে কিছু কথা বলব।
জীবনের মুহূর্তগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আমানত
জীবনের মুহূর্তগুলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে বড় এক আমানত। আমার সম্মানিত পিতা হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ শফী সাহেব রহ. বলতেন : মানুষের উচিত, জীবনের মুহূর্তগুলো মেপে মেপে উপকারী কাজে ব্যয় করা, চাই সেটা হালাল পন্থায় কোনো পার্থিব উপকার হোক, কিংবা পরকালের জন্যে উপকারী হোক।
সময় নষ্ট করা অনেক বড় গোমরাহি। এটা বড়ই অন্যায়। আলহামদুলিল্লাহ, আপনারা এ দিকে মনোনিবেশ করেছেন যে, এ সময়গুলোকে সঠিক কোনো মাকসাদে ব্যয় করবেন।
যুগ সম্পর্কে অবগতি থাকা জরুরি। এখনকার সময়ে উলামায়ে কেরামের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। আপনারা তো এ কথা জানেন—من لم يعرف أهل زمانه فهو جاهل অর্থাৎ যে ব্যক্তি নিজের সময়ের মানুষ সম্প