রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বাজারমুখী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার আহ্বান আইনমন্ত্রীর ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রামের ২ হাজার মসজিদে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাঁই হলো না লিটলম্যাগের, বিকল্প হিসেবে থাকছে ‘ইসলামিক ম্যাগাজিন কর্নার’ ‘নবীজির সিরাত অনুসরণেই যুবসমাজ সঠিক পথে পরিচালিত হতে পারে’ প্রবীণ আলেম মুহাম্মাদ বিন ইদরিস লক্ষীপুরীর শয্যাপাশে এমপি মুফতি আবুল হাসান আমি নির্বাচিত হলে জনগণ সর্বোচ্চ নাগরিক সুবিধা পাবে: মারুফ ইজতেমা মাঠের হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে পাঁচ দফা দাবি ট্রাম্পের সাড়া নেই, কী করবেন সৌদি যুবরাজ? ইজতেমার মাঠে হামলাকারীরা সন্ত্রাসী ও খুনি, গ্রেপ্তার করুন: হেফাজত আমির খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের 

চোখের সামনে স্বজনদের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছে শিশু নাদিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের মুহূর্মুহু বিমান হামলায় তাদের বাড়ি এখন ধ্বংসস্তূপ। চোখের সামনে বোমাবর্ষণে স্বজন-প্রতিবেশীর মৃত্যু দেখছে গাজার ১০ বছর বয়সী শিশু নাদিন আবদেল-তাইফ। এই ধ্বংসযজ্ঞ থামানোর ক্ষমতা তার নেই। ধ্বংসস্তূপের দিকে তাকিয়ে অসহায় কান্নায় ভেঙে পড়ে সে বলছে, ‘কী করব আমি? আমার কী ক্ষমতা আছে? আমার বয়স মাত্র ১০ বছর…।’ নাদিনের ওই কান্নার ভিডিও এখন অনলাইনে ভাইরাল।

এখন পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে ৪১ জনই শিশু। ইউনিসেফের রিপোর্ট বলছে, গাজায় সর্বনিম্ন ৬ বছর বয়সের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যদিও সাধারণ নাগরিকদের ওপর হামলার বিষয়টি স্বীকার করতে নাচাইছে না ইসরায়েল।

ভিডিওতে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডিল ইস্ট আইকে ছোট্ট নাদিন কাঁদতে কাঁদতে বলছে, ‘কী করব আমি, বলুন? ওই ধ্বংসস্তূপ সরাবো? আমার সত্যিই ভয় করছে। আমার স্বজনদের জন্য আমি সবকিছু করতে পারি। কিন্তু কী করা উচিত এখন, সেটাই তো বুঝতে পারছি না। আমি বড় হয়ে ডাক্তার হতে চাই যাতে লোককে সাহায্য করতে পারি। কিন্তু এখন কিছুই করতে পারছি না।’

তাকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘আমি যখনই এসব দেখি, আমার কান্না পায়। শুধু ভাবি, কেন আমাদের ওপরেই হামলা হচ্ছে? বাড়ির লোকেরা বলে, আমরা মুসলিম বলে ওরা আমাদের ঘৃণা করে। এখানে এত শিশু থাকে। কেন শিশুদের ওপর বোমাবর্ষণ করছে ওরা? এটা অনুচিত।’

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ