বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শতবর্ষী কাদেমি মসজিদ সরাতে চায় মোদি সরকার, বিকল্প জায়গা নিয়ে প্রশ্ন আদালতের গোলাপগঞ্জে জামিয়া ইসলামিয়া হুসাইনিয়া ইদ্রিসিয়ার সম্মেলন ৯ নভেম্বর পেছাতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা  মহিলারা ভ্রমণকালে নামাজ কীভাবে আদায় করবেন? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭ নভেম্বর পালনের নির্দেশনা জারি দ্বিতীয় পদ্মা সেতুসহ তিন মেগা প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ  কুরআনের খেদমত অব্যাহত রাখা ঈমানি দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি মুফতি তাকি উসমানী ও জালান্ধরীর সফরে বিশেষ প্রশিক্ষণ আয়োজনের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নজর কাড়ছেন মুসলিম প্রার্থীরা অনলাইন বিবাদে ইসলামেরই ক্ষতি হচ্ছে: শামসুদ্দোহা আশরাফী

মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে শঙ্কায় পাকিস্তান!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার করা হলে প্রতিবেশী দেশগুলোয় অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছে পাকিস্তান। এ অঞ্চলে নিরাপত্তাজনিত হুমকি সৃষ্টি হলে চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্প ঝুঁকির মুখে পড়বে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। নিক্কেই এশিয়ার সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নিয়েই আগাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই প্রতিবেশী পাকিস্তান ক্রমেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে বলে খবর প্রাকাশ পাচ্ছে। দেশটিতে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) দলগুলো সীমান্তবর্তী এলাকায় হামলার পরিমান বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বিশ্লেষক ফখর কাকাখেল বলছেন, একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার এবং অন্যদিকে দুর্বল আফগান সরকারের কারণে এ অঞ্চলটি মারাত্মকভাবে অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে। ভবিষ্যতে টিপিপি পাকিস্তান সীমান্তের কাছে আরো নিরাপদ জায়গা করে নিবে।

ওয়ারশয়ের ওয়ার স্টাডিজ একাডেমির আফগানিস্তান বিষয়ক বিশ্লেষক প্রজেমিস্লা লেসিনস্কি বলেছেন, ‘কিছু কিছু চীনা বিনিয়োগ প্রকল্প টিটিপির কার্যকলাপের ঐতিহ্যগত অঞ্চলের কাছাকাছি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এগুলো তাদের নিশানায় পরিণত হবে।’

উইলসন সেন্টারের এশিয়া প্রোগ্রামের উপপরিচালক মাইকেল কোগলম্যান নিক্কেইকে বলেছেন, পাকিস্তানে সিপিইসি এখন পর্যন্ত টিটিপির মূল নিশানায় পরিণত হয়নি। তবে অতি সম্প্রতি টিটিপির প্রপাগান্ডায় চীন-বিরোধী মনোভাব ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের ওপর চীনের নির্যাতনকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে এ মনোভাব বাড়ছে।’ সূত্র: এএনআই

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ