বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘শের’ দ্বারা রুমিন ফারহানার অভিযোগের জবাব দিলেন জুনায়েদ আল হাবীব  এক মাস ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র মোমিনের ৮ মাস পালিয়ে থাকা ও দেশ ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপর্যয় ঘটতে পারে: কাতার ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার কড়া সতর্কবার্তা সংবিধান সংস্কারে গণভোট : স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল সুতার মোজার ওপর মাসাহ—শরঈ বিধান কী বলছে? মেধা বিকাশের অনন্য ঠিকানা ‘জামিআ ইসলামিয়া বাইতুল আমান’

মাত্র ১৪০ দিনে পুরো কোরআন হাতে লিখে রেকর্ড গড়লেন এক শিল্পী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিসরের ডাকহলিয়া প্রদেশের আরবি ক্যালিওগ্রাফার হামদি বাহরাভি মাত্র১৪০ দিনে পুরো কোরআন হাতে লিখেছেন। তার ৫৫ বছর বয়সী এই শিল্পী দেশটির ডাকহলিয়া প্রদেশের শহীদ মুস্তাফা ভ্যাটিডি প্রাথমিক স্কুলের আরবি ক্যালিগ্রাফির শিক্ষক। তিনি হাতে পুরো কোরআন হাতে লেখার পরিকল্পনা করলে তার বন্ধু-বান্ধব ও শিক্ষকরা তাকে সতর্ক করেন।

কারণ, তাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে আর কাজটিও বেশ কঠিন। কিন্তু তিনি একাগ্র সাধনা ও অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে সব বাধা অতিক্রম পেরিয়ে একাজ করতে সফল হয়েছেন। ক্যালিওগ্রাফার হিসেবে তিনি বেশ পরিচিত। বিভিন্নভাবে পবিত্র কোরআনের আয়াত লেখার জন্য হামদি বাহরাভি তার এলাকায় অনেক প্রসিদ্ধ।

মাত্র ১৪০ দিনে কোরআন হাতে লেখার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেকেই আমাকে সতর্ক করেছেন। কিন্তু আমি আমার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ়প্রত্যয়ী থেকে পবিত্র কোরআন হাতে লেখার কাজ অব্যাহত রাখি এবং সফল হই। এ কাজে আমার পরিবারের সদস্যরা ব্যাপক উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়েছে। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।

তার হাতে লেখা কোরআনের কপিটি ৩০ সেন্টিমিটার প্রস্থ এবং ৪০ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্য। পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪১৫টি। এটা তিনি মিলিমিটার কলম দিয়ে লিখেছেন। পুরো কাজটি লিখতে তার ব্যয় হয়েছে মিসরীয় ১২৫ পাউন্ড।

তার লিখিত কোরআনের পাণ্ডুলিপিটি আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে করে নির্ভুল বলে ঘোষণা করেছে। বর্তমানে এই শিল্পী পবিত্র কোরআনের একটি বড় পাণ্ডুলিপি লেখার কাজ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে ২ হাজার ৭শ’ মিসরীয় পাউন্ড ব্যয় করে ৭ মাসে ১২ পারা লিখে শেষ করেছেন।

তার ইচ্ছা, এই পাণ্ডুলিপির কাজ শেষ হলে এটিও পর্যবেক্ষণের জন্য আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাবেন এবং সেখান থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর তা মিসরে জাদুঘরে প্রদর্শনের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়কে উপহার দেবেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ