মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বেড়ে যাবে দাম  হাসিনা বেঁচে থাকতে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না: তথ্য উপদেষ্টা দুই দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকের বই পরিবহনে ৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকার বরাদ্দ আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় নবীজি (সা.) যে দোয়া পড়তেন বন্ধ কারখানাগুলো দ্রুতই খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী (রহ.)-এর জীবন, কর্ম ও অবদান শীর্ষক কনফারেন্স আগামী শনিবার সীতাকুণ্ডে বাসের ধাক্কায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, আহত ২ মিরপুরে চলছে শ্রমিক-পুলিশ ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ‘সৌর বিদ্যুৎ সম্প্রসারণে ১৫শ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার’

করোনার নতুন ধাক্কায়ও অবরোধ থেকে পিছু না হটার পণ ভারতীয় কৃষকদের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শুধু করোনার প্রথম ধাক্কা নয়, শীত-গ্রীষ্ম কিছুরই তোয়াক্কা না করে দিল্লি সীমানায় তিনটি নতুন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে গেছেন উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকেরা।

আন্দোলনের ২০০ দিন পার করে দেওয়ার পরও মোদি সরকার আইন প্রত্যাহারের প্রশ্নে একচুলও নমনীয় হয়নি। এর মাঝে এলো কভিডের দ্বিতীয় ছোবল! প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছে লাখ লাখ মানুষ, মারা যাচ্ছে হাজার হাজার।

ভারতীয় কৃষাণ ইউনিয়ন সূত্রে দেশটির গণমাধ্যম বলছে, এমন সংকটের মাঝেও কৃষকেরা পিছু হটবেন না। চলতি সপ্তাহে নতুন উদ্যমে আন্দোলন শুরু করা হবে। যারা গ্রামে ফিরেছিলেন কয়েক দিনের মধ্যে তারাও আবার সীমানায় এসে জড়ো হবেন।

কৃষক আন্দোলনের মুখে সিংঘু সীমানায় ৪ কিলোমিটারের একটি নতুন বসতিই তৈরি হয়ে গেছে। শত শত তাঁবু এবং অস্থায়ী বসত গড়েছেন আন্দোলনকারীরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কুম্ভমেলা বা জনসভার মতোই এখান থেকেও করোনার সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, কভিডের নতুন উৎস-কেন্দ্র এই আন্দোলনস্থল।

বিকেইউ-র সাধারণ সম্পাদক সুখদেব সিং সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আন্দোলনরত কৃষক ও তাদের পরিবারের করোনা আক্রান্ত হওয়া এবং ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কার ব্যাপারে তারা অবগত। কিন্তু এই সময়ে আন্দোলন গুটিয়ে নেওয়াও সম্ভব নয়। কেন্দ্র যতক্ষণ না আইন প্রত্যাহার করছে, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে। এই ২০০ দিনে যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তা নষ্ট হতে দেওয়া যায় না।

কৃষক নেতারা শাহিনবাগ আন্দোলনের উদাহরণ দিয়ে বলছেন, কভিড-এর কারণে ওই সিএএ-বিরোধী আন্দোলন গুটিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই তা দুর্বল হয়ে যায়।

সুখদেব জানান, মাস্ক ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা সচেতন থাকবেন। কভিড পরীক্ষা কেন্দ্র খুলতেও সহযোগিতা করবেন সরকারকে।

সম্প্রতি বিজেপি সাংসদ পারভেশ বর্মা অভিযোগ করেন, অন্য রাজ্য থেকে অক্সিজেনের গাড়ি দিল্লিতে ঢুকতে পারছে না সীমানায় কৃষকদের অবরোধের জন্য। সংযুক্ত কৃষক মোর্চার বক্তব্য, এ সব নিছকই অপপ্রচার। একটিও অ্যাম্বুলেন্স অথবা অত্যাবশ্যকীয় সেবার গাড়ি আটকানো হয়নি। বরং সরকারই নিরেট ব্যারিকেড এবং পেরেক ছড়িয়ে রেখেছে কৃষকদের আটকাতে। কৃষকেরা মানবাধিকারের জন্য লড়াই করছে, এবং সমস্ত মানবাধিকারকেই তারা সমর্থন করে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ