বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘শের’ দ্বারা রুমিন ফারহানার অভিযোগের জবাব দিলেন জুনায়েদ আল হাবীব  এক মাস ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র মোমিনের ৮ মাস পালিয়ে থাকা ও দেশ ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপর্যয় ঘটতে পারে: কাতার ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার কড়া সতর্কবার্তা সংবিধান সংস্কারে গণভোট : স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল সুতার মোজার ওপর মাসাহ—শরঈ বিধান কী বলছে? মেধা বিকাশের অনন্য ঠিকানা ‘জামিআ ইসলামিয়া বাইতুল আমান’

অক্সিজেন উৎপাদনে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনা আক্রান্ত রোগীদের অনেকের দ্রুত ফুসফুসে সংক্রমণ ছড়িয়ে তীব্র শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। সেই রোগীদের দরকার হচ্ছে অতিমাত্রায় অক্সিজেন। গুরুতর অসুস্থরা অক্সিজেন পেতে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর চাপ সামলাতে হিমশিম অবস্থা।

করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রধান ভয় শ্বাসকষ্ট। ফুসফুসে সংক্রমণ হওয়ায় শ্বাসযন্ত্র স্বাভাবিক রাখতে দরকার হচ্ছে অক্সিজেনের। আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাভাবিক শ্বাস নেয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়ায় অধিক পরিমাণে অক্সিজেনের দরকার হয়। সিলিন্ডার, কনসেনট্রেটর, হাই ফ্লো ও আইসিইউতে নিয়ে রোগীকে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে।

হাসপাতালে অক্সিজেনের চাহিদাও কয়েকগুন বেড়ে গেছে। রাজধানীর এই বেসরকারি হাসপাতালে অন্যসময় দৈনিক ৭০ টি সিলিন্ডারের দরকার হত; এখন সেখানে লাগছে ১৭০ টি। অনেক হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ থাকার পরও চাপ সামলাতে হিমশিম অবস্থা।

এদিকে, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অক্সিজেন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ পড়ছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান দৈনিক ১২০ থেকে ১২৫ হাজার ঘন মিটার অক্সিজেন উৎপাদন করে থাকে। তবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, অক্সিজেনের চাহিদা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে তারা।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ