আওয়ার ইসলাম: ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর শুক্রবার রাতের যৌথ মহড়ায় গাজায় ‘কর্নেট’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। এটি ইসরায়েলের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির একজন মুখপাত্র মুহাম্মাদ আল ব্রাইম।
জানা যায়, প্রতিরোধ সংগঠনগুলো দৃঢ়ভাবে মহড়ায় অংশ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সংগ্রামীরা শক্তি ও ঐক্য প্রদর্শন করেছে। এতে শত্রুদের ভিত কেঁপে উঠেছে।
এ মহড়ায় তেল আবিব হতভম্ব হয়ে পড়েছে মন্তব্য করে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর মুখপাত্র বলেন, এটি দখলদার কঠোর প্রতিরোধের নতুন বার্তা দিয়েছে। ফিলিস্তিনিদেরও ঐক্যের বার্তা বহন করছে।
ফিলিস্তিনিদের নজিরবিহীন ঐক্যবদ্ধ হওয়াকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আগামীতে এই ঐক্যের শক্তির প্রমাণ দেখতে পাবে ইসরায়েল।
প্রথমবারের মতো গত মঙ্গলবার শুরু হওয়া যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে ফিলিস্তিনের ১২টি প্রতিরোধ সংগঠন। 'রুক্ন আল-রাশিদ' নামের ঐতিহাসিক এ মহড়া দেশটির হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি কতদিন চলবে, তা পরিষ্কার করা হয়নি।
এ মহড়ায় যেসব সংগঠনের সামরিক শাখা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- হামাস, ইসলামিক জিহাদ, ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, গণপ্রতিরোধ কমিটি ও পপুলার ফ্রন্ট। এ ছাড়া আরো বেশ কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন এতে অংশ নিয়েছে।
পার্সটুডে জানায়, মহড়ার মাধ্যমে ফিলিস্তিনের ১২টি প্রতিরোধ সংগঠনের সমন্বয়ে ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে অভিন্ন নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ কমান্ড।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ফিলিস্তিনিদের এই মহড়া স্বাভাবিকভাবেই ইসরায়েলের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে। এটি রীতিমতো দেশটির জন্য ‘বড় দুঃসংবাদ’ হয়ে দেখা দেবে আগামীতে।
-এটি