আওয়ার ইসলাম: আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম নামাজ। নামাজের অনেক ফজিলত, উপকারিতা এবং মর্যাদার কথা ঘোষণা করেছেন বিশ্বনবী। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু এক ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারীর জন্য ৯টি সুসংবাদ ঘোষণা করেছেন।
যারা ফজরের ২ রাকাত সুন্নাত ও ২ রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করবে হাদিসে তাদের জন্য অসামান্য সব পুরস্কারের ঘোষণা করেছেন বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এসব পুরস্কারের ঘোষণা মুমিন মুসলমানকে ফজরের নামাজের দিকে আরও বেশি ধাবিত করবে। এতে সুন্দর ও কল্যাণময় দিন লাভ করবে মুমিন।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসের মাধ্যমে উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য যেসব পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন, তাহলো-
১. আল্লাহর জিম্মায় থাকার সুসংবাদ। হজরত জুনদুব ইবনে আবদুল্লাহ রা. বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ পড়ল সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো। আর আল্লাহ তোমাদের কারো কাছে তার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাদানের বিনিময়ে কোনো অধিকার দাবি করেন না। যদি করেন, তাহলে তাকে এমনভাবে পাকড়াও করবেন যে, উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন।’ (মুসলিম শরিফ)
২. জাহান্নাম থেকে মুক্তির সুসংবাদ। হজরত আবু বকর ইবনু উমারাহ ইবনু রুআইবাহ তার পিতা রুআইবাহ থেকে বর্ণনা করেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, এমন কোনো ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের আগে এবং সূর্যাস্তের আগের নামাজ অর্থাৎ ফজর ও আসরের নামাজ আদায় করেন। এ কথা শুনে বাসরার অধিবাসী এক লোক তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি নিজে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে এ কথা শুনেছ? সে বলল, হ্যাঁ। তখন লোকটি বলে উঠল, আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি নিজে এ হাদিসটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ থেকে শুনেছি। আমার দুই কান তা শুনেছে আর মন তা স্মরণ রেখেছে।’ (মুসলিম শরিফ)
৩. পরিপূর্ণ নুরের সুসংবাদ। হজরত আনাস ইবনে মালিক রা. বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রাতের অন্ধকারে মসজিদসমুহে যাতায়াতকারীদের কেয়ামাতের দিনের পরিপূর্ণ নূরের সুসংবাদ দাও।’ (ইবনে মাজাহ শরিফ)
৪. অর্ধেক রাত ইবাদতের সাওয়াব। হজরত আবদুর রহ