মোস্তফা ওয়াদুদ>
সাম্প্রতিক সময়ে স্যোশাল মিডিয়ায় বড় আলেমদের বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা হয়েছে। সমালোচনাও হয়েছে বিস্তর। এতে ব্যক্তিগত বিষয় থেকে শুরু করে ঘরে-বাইরের অনেক অপ্রকাশিত বিষয়ও উঠে এসেছে। যা মোটেও কাম্য নয়।
এর দ্বারা পরস্পরের মাঝে যেভাবে বিদ্ধেষ তৈরি হচ্ছে। সেভাবে একজনের প্রতি অন্যজনের অনাস্থও সৃষ্টি হচ্ছে। শত্রুতা বৈ আর কিছুই বাড়ছে না এসবের মাধ্যমে।
সাম্প্রতিক স্যোশাল মিডিয়ায় খোলামেলা এই লেখালেখিকে অনেকটা বাঁকা চোখেই দেখছেন দেশের ইসলামী স্কলারগণ। স্যোশাল মিডিয়ায় যেসব তরুণরা লেখালেখি করছেন তাঁদের প্রতি বিনিত অনুরোধ করে তারা বলেছেন, আকাবির ও আসলাফের প্রতি সম্মান জানিয়ে নতুন কোনো বিতর্ক যেনো কেউ উস্কে না দেয়।
এসব বিষয় থেকে কিভাবে বেঁচে থাকা যায়? কিংবা কিভাবে ফেসবুকের নিরাপদ ব্যবহার করা যায়? ফেসবুক ব্যবহারের নির্দিষ্ট কোনো কাইটেরিয়া থাকা উচিত কিনা জানতে চেয়েছিলাম দেশখ্যাত স্কলার, ও চট্টগ্রামের ওমরগণি কলেজের সাবেক অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন এর কাছে।
স্যোশাল মিডিয়ায় তারা যা কিছু করছে সবই রেকর্ড হচ্ছে: ড. আ ফ ম খালিদ হোসাইন
তিনি বলেন, ‘আজ আমরা পরস্পর ফেসবুকে যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে সমালোচনা করছি। যার নামে ইচ্ছে তার নামেই বিরুপ মন্তব্য করছি। কওমি ঘরনার লোকেরাই কওমি লোকদের একে অপরের নামে বিষোদগার করছে। জেনে রাখা দরকার, তারা যা কিছু করছে সবই রেকর্ড হচ্ছে।
চাই তা যেভাবেই করুক না কেনো? রিয়েল আইডি থেকে কারো নামে বিষোদগার করুক কিংবা ফ্যাক আইডি থেকে। সবকিছুই সাইবার ক্রাইম ডিভাইস থেকে রেকর্ড করা হচ্ছে। কেউ যদি আপনার নামে মামলা করে তাহলে নিশ্চিত এগুলো কে, কখন, কোথায় থেকে করছে, সবকিছুই বের করা সম্ভব হবে। তাই ভেবেচিন্তে এসব করা উচিত। যারা এসব করছে আওয়ার ইসলামের মাধ্যমে আমি তাদের সতর্ক করে দিতে চাই।’
তাকওয়া সব মহামারির মহাঔষধ: মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী
কথা বলেছিলাম বিশিষ্ট বক্তা ও ইসলামী আলোচক মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীর সাথে। তিনি বলেন, ‘স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহার এখন অত্যন্ত সহজলভ্য হয়ে গিয়েছে। ফলে বিষয়টি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এজন্য আমরা চরম উদ্ধিগ্ন। উৎকন্ঠিত। এই উদ্ধেগ ও শঙ্কার কোনো শেষ নেই।
যে কোনো বিষয়েà