সুফিয়ান ফারাবী
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট>
দেশে বাড়ছে করনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে আতঙ্ক ও ভয়-ভীতি। বরাবরের মতো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গনজমায়েত এড়িয়ে চলার প্রতি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছেন।
বহির্বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান কিছুটা ভালো হলেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন অনেকে।
যেহেতু গণজমায়েতই করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রধান উপায়। আর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বেশি গনজমায়েত হয় মসজিদে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে শতশত মানুষ এক কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন। জুমার দিনে মুসল্লিদের ঢল নামে মসজিদে মসজিদে।
তাই দেশের শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম আজ গণমাধ্যমে একটি বিশেষ বার্তা প্রেরণ করেছেন। যেই বিবৃতিকে ওলামায়ে কেরাম "করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি; মসজিদে গমনাগমন ও জামাত" শিরোনাম দিয়েছেন।
প্রেরিত বিবৃতিতে বলা হয়, "গত ২৯ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংস্থাটির মহাপরিচালকের সঙ্গে ওলামায়ে কেরামের সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল।
সেখানে বিশেষ দুটি শ্রেণীর মুসল্লিদের মসজিদে আসতে নিষেধ করা হয়, আট শ্রেণীর মুসল্লিদের মসজিদে আসতে নিরুৎসাহিত করা হয় এবং এ দুই বিশেষ শ্রেণীর বাইরে যারা আছেন, তাদেরকে প্রতিদিনের মতো মসজিদে আসার অনুমতি প্রদান করা হয় পরিপূর্ণ সতর্কতা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা উপর গুরুত্বারোপ করেই।
যেটাকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ "ওলামায়ে কেরামের আহবান" উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, দিন দিন করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী খুব দ্রুত ছড়াচ্ছে এ ভাইরাসটি।
তাই দেশের মানুষের মনে ভয় এবং আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং এ ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১১৭ এবং সংক্রমিত হয়ে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের সংখ্যা- ১৩। নিঃসন্দেহে এটি আমাদের জন্য অশনি সংকেত।
আমরা পূর্বে একথাও বলেছিলাম, যদি অবস্থার অবনতি হয়, কোন এলাকা বা জায়গা লকডাউন করে দেওয়া হয়, অথবা সারাদেশে একযোগে কারফিউ জারি করা হয়, তখন সরকার চাইলে মসজিদে মুà¦