সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

এখান থেকেই আল্লাহর দীনের জন্য বেরিয়ে যাই: মাওলানা খুরশিদ আলম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হামদ ও নাতের পর...

মুহতারাম দোস্ত বুযুর্গ! আল্লাহ তায়ালা নিজ ফজলে। রাসূল সা.-এর মেহনতের বদৌলতে এখানে লাখ লাখ মানুষকে জমা হওয়ার তাওফিক দিয়েছেন। সমস্ত নবীরা যে মাকসাদে মেহনত করেছেন, সে মেহনতের নিয়তে আমাদেরকে এখানে জমা করেছেন। হাদিসে কুদসিতে আছে, যে বান্দা তার অপর ভাইকে আল্লাহর জন্য ভালোবাসেন, তিনিও তাকে ভালোবাসেন।

দ্বিতীয়ত হলো, যারা নিজ পরিবার আত্মীয়-স্বজন ছেড়ে দ্বীনের জন্য বেরিয়ে যায়, তার জন্য আল্লাহর ভালোবাসা ওয়াজিব হয়ে যায়। আল্লাহ বান্দার আমলের অনেক মূল্য দেন।

একবার রাসূলুল্লাহ সা. মসজিদে এসে সাহাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমরা এখানে কী করো?’  তারা বললেন, আল্লাহর তাসবিহ পড়ছি। নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করছি এবং ঈমানের মুযাকারা করছি। তিনি বললেন, ‘আল্লাহর কসম! তোমরা কি সত্যিই এজন্য বসেছো?  তারা বললেন, আল্লাহর কসম আমরা এজন্যই বসেছি।

রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, আমি তোমাদের থেকে কোন খারাপ ধারণাবশত কসম নেইনি বরং একটু আগে জিব্রাইল আ. এসে খবর দিয়েছেন যে, তোমাদের এ কাজ দেখে আল্লাহ তোমাদের নিয়ে ফখর করছেন। আল্লাহ আমাদেরও সে কাজের জন্য এখানে জমা করেছেন।

হাদিসে এসেছে একবার রাসূল সা. সাহাবায়ে কেরামকে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার জন্য তাশকিল করলেন, তখন সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। তাই তারা মদীনাতেই থেকে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন। রাসূল সা. বললেন, তোমরা কি চান না যে, তোমরা বেহেস্তের বাগানে অবস্থান করো? এরপর সাহাবায়ে কেরাম ময়দানে চলে গেলেন এবং সেখানে রাত্রি যাপন করলেন।

গতকাল আপনারা এখানে এসেছেন। নামাজ পড়েছেন, দুআ করেছেন। সাথীরা আসছে, জায়গা পাচ্ছে না। তারপরও নিজেরা মুজাহাদা করে জায়গা করে দিচ্ছেন। এর বদৌলতে আল্লাহ কত না মানুষের হেদায়েতের মাধ্যম বানিয়ে দিবেন।

রাসূল সা. বলেন, যারা দুনিয়াবাসীর উপর রহম করে, আল্লাহ তাদের উপর রহম করেন। মানুষ তো ছোট, তার রহমও ছোট হবে। কিন্তু আল্লাহ তা বড় করে কবুল করেন। তাদেরকে রহমত ও বরকত দান করেন। আমাদের রহমের বদলা অমুসলিমদেরকেও দীন গ্রহণের সুযোগ করে দিবেন এবং অন্য প্রাণীরাও শান্তি থাকবে।

আল্লাহ তাআলা কত নিয়ামত দিয়েছেন- তিনি বলেন, তোমরা আমরা নিয়ামত গুণে শেষ করতে পারবে না। এর মধ্যে কিছু নিয়ামত হলো, বস্তুগত। আর কিছু আত্মিক বা রূহানী। বস্তুগত নিয়ামত পাওয়ার পর রূহানী নিয়ামতের মধ্যে ব