আওয়ার ইসলাম: শাইখুল হাদীস রহ. কে নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক সাক্ষাৎকারের কাজ দীর্ঘদিন যাবৎ করছি। হজরতের ঘনিষ্ঠজন, সহকর্মী, ছাত্র ও পরিবারের প্রায় পঞ্চাশজনের স্মৃতিকথা ইতোমধ্যে রাহমানী পয়গামে প্রকাশিত হয়েছে। এ তালিকায় সবচেয়ে কাঙ্খিত ব্যক্তি ছিলেন আমাদের নানিজান শাইখুল হাদীস রহ. এর সহধর্মীনী। তিনিই হলেন হজরতের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের সঙ্গী।
কয়েক বছর আগে নানিকে আমাদের বাসায় পেয়ে ধরলাম, আজকে আমাদের বাসায় থাকবেন, নানাজির গল্প শুনাবেন। নানি খুব সহজেই রাজি হয়ে গেলেন। আমাদের শুনালেন অনেক অজানা কথা। একরাতে সব বলা সম্ভব হল না। বললেন, আরেক দিন এসে থাকবেন। কিন্তু তার আর হয়নি। গত একবছর যাবৎ তিনি অসুস্থ।
সাক্ষাৎকারটা পূর্ণ করা সম্ভব হবে কিনা সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। একদিন সন্ধ্যায় মামুন মামা বললেন, চলো আম্মার কাছে যাই দেখি কিছু কথা নেয়া যায় কিনা। আমাদের ভাগ্য ভালো ছিল। সেদিন অসুস্থ শরীরেই আমাদের সাথে অনেক কথা বললেন। টের পেলাম ৫০ বছর আগে ফেলা স্মৃতিগুলো তখনও প্রাণবন্ত। তুলে ধরলেন শাইখুল হাদীস রহ. এর জীবন সৌন্দর্য। উঠে এলো শিক্ষণীয় অনেক কথা। পাঠকের জন্য থাকলো আলোচনার চুম্বক অংশ। সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও গ্রন্থনা মুহাম্মাদ এহসানুল হক।
এহসানুল হক : শাইখুল হাদীস রহ. এর সাথে আপনার জীবনের সূচনাকালের কথা জানতে চাই। বৈবাহিক সূত্রে আপনারা আবদ্ধ হয়েছিলেন কত সনে?
শাইখুল হাদীসের সহধর্মীনী : সেটা তো অনেক আগের কথা। দিন তারিখ এখন মনে নাই। তবে এটুকু মনে আছে আমাদের বিবাহ হয়েছিল ১৯৬৪ সনের শেষ দিকে।
এহসানুল হক : বিবাহের ঘটনাটা মনে আছে?
শাইখুল হাদীসের সহধর্মীনী : হজরত মাওলানা শামছুল হক ফরিদপুরী রহ. এর গওহরডাঙ্গা মাদরাসায় ওনার যাতায়াত ছিল। একবার তিনি গওহরডাঙ্গা মাদরাসার মাহফিলে গেলে আামর আব্বাও সেখানে যান, বয়ান শুনেন। এবং সেখান থেকে ওনাকে আমাদের উদয়পুরের মাদরাসায় নিয়ে আসেন। উদয়পুর মাদরাসায় তিনি বয়ান করেন। তার জ্ঞানগর্ভ আলোচনা শুনে এলাকার সবাই ভক্ত হয়ে উঠে। আব্বারমনের মধ্যেও তার জন্য অনেক মুহাব্বত সৃষ্টি হয়।
এহসানুল হক : এরপর আপনার সাথে কিভাবে বিবাহ হলো?
শাইখুল হাদীসের সহধর্মীনী : আমার অন্য বোনদের বিয়ের পর à