গাজী তাওহীদুর রহমান
যশোর থেকে
হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লির অংশগ্রহণে যশোরের উপশহরে শুরু হয়েছে আঞ্চলিক জোড় ইজতেমা। আজ ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার সর্ববৃহত জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজে জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।
জুমার নামাজে ইমামতি করেন বাংলাদেশের আলমী শুরার তাবলিগের মুরুব্বি মাওলানা রবিউল হক। বাদ জুমা বয়ানও করবেন তিনি। তাছাড়া আজ বাদ আসর বাদ বয়ান করবেন সানাওয়ার (ভারত)। এসময় যৌতুকবিহীন বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে ইজতেমা ময়দানে। পরে বাদ মাগরিব বয়ান করবেন মাওলানা জিয়াউল হক্ব (পাকিস্তান)।
আগামীকাল শনিবার সকাল ১০টায় ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসার মুরব্বি মাওলানা আব্দুর রহমানের বিশেষ মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে জোড় ইজতেমা।
এদিকে আজ ৬ ডিসেম্বর (শুক্রবার) বাদ ফজর বয়ান করেছেন মাওলানা জিয়াউল হক্ব (পাকিস্তান) ভাষান্তর করেছেন মাওলানা দিলাওয়ার। ওলামেদের উদ্দেশ্যে শুক্রবার বাদ ফজর মারকাজ মসজিদে বয়ান করেছেন মাওলানা আব্দুর রহমান (ভারত)।
এদিকে ইজতেমার প্রথম দিনে ফজরের পরে রিসালত, তাকদির ও নবী সা. জীবনী আমল ও মানুষ কিভাবে অনুস্মরণ করতে হবে তার উপরে আমবয়ান করেন ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসার মুরব্বি মাওলানা আব্দুর রহমান। বাংলায় রুপান্তর করেন মাওলানা আব্দুল মতিন।
জোহর বাদ বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা সফির আহম্মেদ (ভাষান্তর করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ)। আসর বাদ বয়ান করেন পাকিস্তানের মাওলানা হাসমত (ভাষান্তর করেন মাওলানা জাকারিয়া)। বাদ মাগরিব বয়ান করেন ভারতের মাওলানা আব্দুর রহমান (ভাষান্তর করেন মাওলানা আব্দুল মতিন)।
জোড় ইজতেমা ময়দানের প্রধান জিম্মাদার মাওলানা নাসির উল্লাহ জানান, বৃহঃবার সকালেই মজমা পরিপূর্ণ হয়ে যায়। আগত মুসল্লিরা সারাদিন ইবাদত বান্দাগির মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন।এ দিন আছরের পর যৌতুক বিহীন বিবাহর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এদিকে ইমাম পরিষদের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের মাঝে ৮০ লিটার বিশুদ্ধ খাবার পানি বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মাওলানা আনোয়ারুল করীম যশোরী, সেক্রেটারি মাওলানা বেলায়েত হোসেন, মাওলানা আব্দুল কাদের, রফিকুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আরএম/