সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

তাবলিগ জামাতকে কীভাবে দেখেন আরব আলেমগণ!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব: তাবলিগ জামাত। ১৯২০এর দশকে হযরতজি ইলিয়াস রহ. এর হাত ধরে এ জামাতের পথচলা। সে থেকে আজ অব্দি এক শতাব্দী ধরে ইসলামের মৌলিক মূল্যবোধ প্রচার ও মানুষের মাঝে ইসলামের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে নিবেদিত এ জামাতের অনুসারী, অনুগামী ও শুভাকাঙ্ক্ষীগণ।

স্বেচ্ছাসেবামূলক ইসলামের দাওয়াতের এ কাজ ও মিশন মন কেড়েছে উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরুর অনেক জ্ঞানী বা গবেষক। তাবলিগের মেহনত শুরু হওয়ার পর থেকেই উপমহাদেশের আলেম ওলামাগণ অভিনব এ পদ্ধতিকে স্বাগত জানান।

হাকিমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভী রহ. তাবলিগ জামাত ও হযরতজি ইলিয়াস রহ.কে নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করতে গিয়ে উচ্ছসিত কণ্ঠে বলেছিলেন, ‘দলিলের প্রয়োজন নেই। দলিল-প্রমাণ তো কোনো কিছুর যাচাই-বাছাই ও সত্যতা প্রমাণের জন্য পেশ করা হয়। আমিতো বাস্তব ময়দানের আমল থেকেই এ মেহনতের ওপর পূর্ণ আশ্বস্ত।

এখন আর কোনো দলিলের প্রয়োজন নেই। হে ইলিয়াস! মাশাআল্লাহ! তুমি তো আমার নিরাশাকে আশায় পরিণত করেছ। বদলে দিয়েছ আমার হতাশা।’

আর চেতনার বাতিঘর মাওলানা আবুল হাসান আলী নদভী তো তার নিপুন হাতের ছোঁয়ায় গ্রন্থ রচনা করেন ‘হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস আওর উনকি দীনি দাওয়াত’। যেখানে তিনি তাবলিগের অকৃত্রিম মেহনত, অরূদ্ধ চেতনা ও মানুষকে কাছে টেনে নেওয়ার ছন্দিত শক্তির কথা তুলে ধরেন।

তাবলিগের অক্লন্ত মেহনতে বিমোহিত হয়ে উপমহাদেশের সীমানা পেড়িয়ে আরব মুলকের মুহাক্কিক আলেম ও প্রথিতযশা ব্যক্তিগণও নিজেদের কথামালায় বইয়েছেন প্রশংসার ফল্গুধারা।

আরব আজমের খ্যাতিমান আলেম, রাবেতা আলমে ইসলামির কিসমুল জালিয়াত‘র প্রধান সমন্বয়ক শায়খ মুহাম্মদ ইবরাহিম আবেগঘন কণ্ঠে তাবলিগে তার কাটানো দিনগুলির বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, আমি ইমান-ইয়াকিনের এ দাওয়াতের বিভিন্ন ইজতেমা দেখেছি। কাছে থেকে তাদের কার্যক্রম নিরীক্ষা করেছি। অনুধাবন করেছি তাদের কার্যসরলতা। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ইলমের নুর এবং ইমানের আলো এখান থেকেই অর্জিত হয়।

আমি পবিত্র কালামুল্লাহ এর আগে শত শত বার পড়েছি। তাফসির অধ্যয়ন করেছি। কিন্তু দাওয়াতের এ ময়দানে আমি কুরআনের এমন অসংখ্য আয়াতের অর্থ বুঝেছি, যা এর পূর্বে অনুধাবন করতে পারিনি। ইমান-আকিদা ও আল্লাহর মুহাব্বত-প্রেম উদ্বুদ্ধকরণে এর চাইতে কার্যকরী কোনো দাওয়াত আমি দেখিনি। আল্লাহর কসম, সত্যের প্রতি এ আমার