মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

ওয়াজ মাহফিলে শিশু বক্তা দাওয়াত দেয়া ভেল্কিবাজি ছাড়া কিছুই না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি ওমর ফারুক সন্ধীপি। প্রবীণ আলেম। মুহাদ্দিস, মুফাসসির ও ওয়ায়েজ। শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর খলিফা। ওয়াজের ময়াদানে যার কেটেছে দীর্ঘ ৫০ বছর। এখনো যিনি কুরআনের কথা এবং হাদিসের বাণী নিয়ে ছুটে চলেন দেশের আনাচে কানাচে। তার সঙ্গে বর্তমান ওয়াজের হাল হাকিকত  নিয়ে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের বিশেষ প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান ।


আওয়ার ইসলাম: ওয়ায়েজদের কেমন হওয়া উচিত?

মুফতি ওমর ফারুক সন্ধীপি: সাধারণত কুরআন ও হাদিসের গভীর জ্ঞান থাকা বক্তাদের জন্য জরুরি। কুরআনের সারগর্ভ মূলক আলোচনা করতে পারে সেই যোগ্যতা থাকা। বর্তমান যুগের তিনটা ফিতনা- রাষ্ট্রীয় ফিতনা, বেদাতিদের ফিতনা, ভন্ড পীর-ফকিরদের ফিতনা।

আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক রহ. ইমাম বুখারীর উস্তাদ ছিলেন ইমাম আবু হানিফার ছাত্র ছিলেন। বিখ্যাত মুহাদ্দিসদের মধ্যে হতে তিনিও ছিলেন অন্যতম। তিনি বলেছেন, ইসলামের শক্রু তিন ধরনের-

১. অধিকাংশ সময়ে ক্ষমতাসীন লোকেরা ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় অথবা তাদের গদি ঠিকিয়ে রাখার জন্য ইসলামকে ব্যবহার করে।

২. আর যারা বেদাতি মৌলভির উলামায়ে ছু তারা ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে মানুষদেরকে পথভ্রষ্ট করে।

৩. আর পীর-ফকির, দরবেশ ভন্ডরা সিলসিলার নাম দিয়ে মানুষদের পথভ্রষ্ট করে।

আরও অন্যান্য অনেক ফিতনা যা এই তিনটার মধ্যেই আছে। কাদিয়ানীদের ফিতনা, লা মাজহাবীদের ফেতনা, এমন আরও অনেক৷  বক্তাদের উচিত এ ফেতনা সম্পর্কে সাধারণ মানুষদেরকে এ বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন করা।

ওয়াজে অনেক সময় কিসসা কাহিনি বলে থাকেন অনেকেই। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অধিকাংশ কিসসা-কাহিনি বানোয়াট। যা মানুষদেরকে হাসানোর জন্য, কাঁদানোর জন্য করে থাকেন। তাও ঠিক নয়। এমন ওয়াজ করা প্রয়োজন, যার মাধ্যমে সমাজের গঠনমূলক পরিবর্তন আসবে৷ ওয়াজ মানে নাসিহাহ। আর এটা এমন হওয়া উচিত যেটা মানুষের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবনে পরিবর্তন আনতে পারবে।

আওয়ার ইসলাম: ওয়াজে অতিরিক্ত হাসি-তামাশা কতটুক যুক্তিযুক্ত? এ ক্ষেত্রে ওয়ায়েজদের করণীয় কী?

মুফতি ওমর ফারুক সন্ধীপি: আসলে এমনটি আমাদের বুজুর্গানে দীনদের মধ্যে ছিল না। তারা যখন ওয়াজ করতেন তাদের চোখে পানি থাকত। মনের আন্তরিক আবেগ নিয়ে তাà