আওয়ার ইসলাম।।
ভারতের সাহানপুরের দারুল উলুম ওয়াকফ দেওবন্দ ও এর আওতাধীন অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমে ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডেইলি বাসিরাত অনলাইনের বরাতে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে দেশের অন্যান্য শিক্ষাব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইংরেজি, হিন্দি, গণিত ও সামাজ বিজ্ঞানের মতো সমসাময়িক বিষয় পাঠ্যক্রমের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ করে তুলা হবে।
দারুল উলুম ওয়াকফ দেওবন্দ এ সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণ উল্লেখ করে বলা হয়, সিলেবাসে এ পরিবর্তন একজন মাদরাসা পড়ুয়া যেনো দেশের প্রতিটি সেক্রটরে কাজ করার সুযোগ পায়। আধুনিক বিষয়ে পাঠদানের সুযোগ পেলে আমাদের বিশ্বাস দেশের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের থেকে আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রতিটা সেক্টরে এগিয়ে থাকবে। তাছাড়া আমাদের উচিত, মুসলমানদের নিয়ন্ত্রণাধীন এমন প্রতিষ্ঠান থাকা যেগুলো তারা ইসলামিক শরীয়াহ আইন অনুসারে পরিচালনা করবে।
তারা আরো বলেন, আধুনিক বিজ্ঞানকে ধর্মীয় বিদ্যালয়গুলিতে অন্তর্ভুক্ত করার ধারণাটি বিবেচনায় নেওয়া উচিত। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য অবশ্যই জাতীয় মূলধারার সাথে সংযোগ স্থাপন করতে হবে। এ বিবেচনায় আমরা বিজ্ঞানের বিষয়গুলোকে অন্তর্ভূক্ত করার চিন্তা করছি।

মূলত গভীর চিন্তা করলে দেখা যায়, বিশ্বে ধর্মীয় ও আধুনিকের বিভাজন অসম্ভভ হয়ে পড়ছে। আধুনিক শিক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা ছাড়াই জীবনধারণ করা খুব কঠিন।
শরিয়তে প্রত্যেক মুসলিম পুরুষ ও মহিলার জন্য দ্বীন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকা ওয়াজিব। জ্ঞান অর্জন করাও ওয়াজিব, তবে পার্থিব বা আধুনিক জ্ঞান অর্জন করা পাপ নয়।
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুসলিম সম্প্রদায়ের বাচ্চাদের এ জাতীয় ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া বাধ্যতামূলক, যাতে তারা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারে। (ইবনে মাজাহ)
আধুনিক বা পার্থিব শিক্ষা দেওয়া তার উপর কর্তব্য। ফিকহ-উল-আমাত হযরত মুফতী মাহমুদ হাসান গঙ্গোহি রহ. বলেন, এর উদ্দেশ্য যদি জাতীয় স্বার্থ হয় তবে তা মঙ্গলজনক।
তবে শরীয়াহ নিষেধাজ্ঞাকে অবশ্যই সর্বদা রক্ষা করতে হবে। বিশ্বব্যাপী উà