২০১৮ সালের মার্চ মাসের ২ তারিখ (শুক্রবার) বাদ জুমা রাজধানীর ঢালকানগরে বায়তুল হক জামে মসজিদের বয়ানে শায়খুল হাদিস মাওলানা আবদুল মতিন বিন হুসাইন আলেম, ওয়ায়েজ ও দীনের দাঈদের উদ্দেশ্যে নসিহত করেছিলেন। সংক্ষিপ্ত অংশ আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। অনুলিপি -আবদুল্লাহ তামিম।
হজরত শাহ আবরারুল হক রহ. দুনিয়ার যেখানেই গিয়েছেন কাফের মুশরিকরা পর্যন্ত তাকে সম্মান-শ্রদ্ধা করত। হজরত যখন হারদুয়ীর দিকে যেতেন রাস্তায় হিন্দুরা দাঁড়িয়ে কুর্নিশ করত, আদাব জানাত।
কোনো হিন্দু আবার হজরতকে দেখলে দূর থেকে সিজদায় পড়ে যেতো। হজরত জোরে বলতেন ‘মাখলুখ কু সিজদা কর না মামনু হে’ কোনো সৃষ্টিজীবকে সেজদা করা নিষেধ। তিনি এটা বলেই চলে যেতেন।
সেখানে ঝগড়া বাধিয়ে দিতেন না। তাই বলি দীনের কাজ করতে সমজ বা বুঝ জরুরি। দীনের কাজ করতে গিয়ে যদি সমজ বা বুঝ না থাকে তাহলে সে অবশ্যই ঝগড়া বা প্যাচ লাগিয়ে দেবে।
দুনিয়াতে এমন কোনো দেশ নেই, যেখানে সব একই চিন্তা ধারার মুসলমান আছে। সব দেশেই বহু ধরনের মুসলমান আছে। তাদের মত ও পথে ভিন্নতা আছে।
আপনি জর্ডান বলেন- মিশর, আফগানিস্তান, ভারত, ব্রুনাই এসব দেশে কত ধরনের মুসলামান আছে। তাই আমাদের কী উচিৎ আমার মতের সাথে না মিললেই বাস তাকে হত্যা কর, সে বাতিল এটা সেটা... বলা। এগুলো তো ঠিক না। তাই দীনের সমজ বা বুঝ অত্যান্ত জরুরি।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তোমরা আল্লাহর দিকে মানুষকে আহ্বান কর হেকমতের সাথে সুন্দর উপদেশ দ্বারা ডাকতে হবে।’ আর যারা কাফের তাদের ইসলামের দাওয়াতের ক্ষেত্রে আল্লাহ বলেছেন, আগে তাদের সঙ্গে এমন আচরণ কর যেন তোমাদের মধ্যকার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়। আর তোমরা তাদের উত্তম আদর্শ ও ইসলামের সৌন্দর্যের মাধ্যমে দাওয়াত দেবে।
বিরুদ্ধাবাদিদের দাওয়াতের ক্ষেত্রে ক্ষেপিয়ে তোলা, গরম বক্তৃতা করা ঠিক না। বরং তাদের নরম ও ভালোবাসার মাধ্যমে দাওয়াত দিতে হবে।
হাকিমুল উম্মত আশরাফ আলী থানভি রহ. বলেন, ‘আওয়াম কো মুশতায়েল নাহ কর না চাহিয়ে’। অর্ধাৎ, সাধারণ মানুষকে দীনের কথা বলতে গিয়ে ক্ষেপিয়ে তোলা ঠিক না।
বর্তমান আমাদের দীন প্রচারকগণ দীনের প্রচার আর ওয়াজের ময়দানকে যুদ্ধের ময়দানের সাথে গুলিয়ে ফেলেছে। যুদ্ধের ময়দানে যুদ্ধের মত অশ্র দিয়ে জবাব দেয়া আর দীনের প্রচার করà¦