সকল মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি অমূল্য নসিহত করেছেন বিশ্বব্যাপী ‘মুবাল্লিগে ইসলাম’ হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ, পাকিস্তান তাবলিগ জামাতের মুরুব্বি মাওলানা তারিক জামিল। আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো সেই নসিহতমালা। ভাষান্তর করেছেন আবদুল্লাহ তামিম
স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে সম্মান করবেন, সহ্য করবেন। ভালোবাসবেন নিজের থেকেও বেশি। আমার নবি সা. বলেছেন, সর্বোত্তম মুসলিম হলো সে, যে তার স্ত্রীর সঙ্গে সদাচরণ করে।
স্ত্রীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, আমার শরিয়তে মানুষের জন্য সাজদা করার অনুমতি থাকলে আমি স্ত্রীকে বলতাম, তোমার স্বামীকে সাজদা কর।
পৃথিবীর মধ্যে সর্বোত্তম সদকা হল ছেলে সন্তানদের লালন- পালন। আমার নবি একটি ঘরের একটি সংসারের পুরো নকশা বলে দিয়েছেন। একটি দাম্পত্য জীবন কেমন হবে সেটিও বলে দিয়েছেন। কার মর্যাদা কেমন হবে সেটিও বলে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ!
মা! তোমার পায়ের নীচে সন্তানের বেহেশত। বাবা হলো তোমার জান্নাতের দরজা। এ দরজা খোল, কিন্তু ভেঙ্গ না। এ দরজা ভেঙ্গে ফেললে জান্নাতে যেতে পারবে না।
রাসুল সা. আরো বলেছেন, সর্বোত্তম মুসলিম হলো সে, যে তার স্ত্রীর সঙ্গে সদাচরণ করে। সবচেয়ে উত্তম সেই স্ত্রী যে তার স্বামীর ইচ্ছেকে গুরুত্ব দেয়।
তারপর রাসুল সা. এমন এক আশ্চর্য কথা বললেন, যা সমাজে আজ বড় ধরণের সমস্যা, বোঝা। হ্যাঁ ভাই। রাসুল সা. সাহাবাদের বললেন তোমাদের কি এমন এক সদকার কথা বলবো যার থেকে বড় কোনো সদকা নেই।
সাহাবারা বললেন, জি ইয়া রাসুলাল্লাহ বলুন, তিনি বললেন, ‘আল ইবনাতুল মারদুদাহ’ যার মেয়ের তালাক হয়ে গেছে বা বিবাহ হয়ে গেছে। যেকোনো সমস্যার কারণে ঘরে ফিরে এসেছে, বাবা মার কাছে ফিরে এসেছে, অথবা তার বাবা-মা নেই, ভাই আছে। তখন সে মেয়ে বাবা-মার কাছে বোঝা হয়ে যায়। আর ভাই তো আগের থেকেই অবাধ্য থাকে, আমার নবি বলেন, এ মেয়ের উপর খরচ করা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সদকা।
এ যে পরিবার, একটি ঘর কিভাবে চলবে। একটি সংসার কিভাবে চলবে, এগুলো হলো আমাদের জন্য নির্দেশনা। আমাদের পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু, বেলুচিস্তান ও সারহাদে মেয়েদের জন্য মিরাসের কোনো অংশ নেই। তারা মিরাসের কোনো অংশ পায় না। সব সম্পদ ভাইয়েরা ভোগ করে।
আমার নবি বলেছেন, যে ব্যক্তিকে আল্লাহ দুইজন