চলছে রমজান মাস। ‘ইসলাম ও রমজান ভাবনা’ নিয়ে জামিয়া মিফতাহুল উলুম মধ্যবাড্ডা এর মুহাদ্দিস ও দক্ষিণখান আশরাফিয়া মাহমুদুল উলুম এর শায়খুল হাদিস মাওলানা আবু উসামা মোহাম্মদ হাবীবুল্লাহ মুখোমুখি হয়েছেন আওয়ার ইসলাম আয়োজিত ‘লেখালেখি ও সাংবাদিকতা কোর্স’ এর শিক্ষার্থী উমারা হাবীব। সাক্ষাৎকারটি আওয়ার ইসলাম পাঠকদের জন্য পরিবেশন করা হলো।
আওয়ার ইসলাম: রমজান মাসকে এবাদতের বসন্তকাল হিসেবে আমরা জানি। এ মাসে কোন কোন আমল বেশি করা দরকার?
মাওলানা আবু উসামা মোহাম্মদ হাবীবুল্লাহ : রমজান ইবাদতের মাস। এ মাসে রোজা ও তারাবির পর সর্বোচ্চ বড় আমল কুরআন তেলাওয়াত। এ তেলাওয়াত রাতের তারাবির মাঝেও করা জরুরি। কিয়ামুল লাইলের মাঝেও করা জরুরি। এছাড়া এমাসে গরীবদের জাকাত দেয়া। একটি ফরজ আদায় সত্তরটি ফরজ আদায়ের সমান।
তাছাড়া দুঃখীদের দান সদকা করা। ফিতরা দেয়া। অন্নহীনদের অন্ন দেয়া।বস্ত্রহীনদের বস্ত্র দেয়া। গরীবদের ঘর বা ব্যবসার জন্য টাকা দেয়া। রমজানে সাহরি ও ইফতার সামনে নিয়ে বসে থাকা। এটাও একটি ইবাদাত। সম্ভব হলে কোন আল্লাহওয়ালার দরবারে পুরো রমজান কাটিয়ে দেয়া। তা না হলে অন্তত শেষ দশদিন এতেকাফ করা। এর সাথে সাথে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা বড় ইবাদত।
আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদের রমজানের মত বরকতময় মাস দিয়েছেন। এ মাসে ইবাদতের মাধ্যমে নিজেকে মাফ করিয়ে নেয়ার সুযোগ দিয়েছেন। জাহান্নামের আগুন থেকে নিজেকে রক্ষার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন।
আওয়ার ইসলাম: রমজান এলে সমাজের যুবক, বৃদ্ধ ও শিশুরা সবাইমিলে মসজিদমুখী হয়। রমজান গেলে তাদের এ স্রোত থেমে যায় কেনো? রমজানের বাইরেও তাদের মসজিদে ধরে রাখার জন্য করণীয় কী?
আবু উসামা মোহাম্মদ হাবীবুল্লাহ: এটা একটা চিরন্তন সত্য কথা। রমজান এলেই শিশু থেকে নিয়ে কিশোর, যুবক ও বৃদ্ধ সবাই মসজিদমুখী হয়। কারণ আল্লাহ তাআলা রমজানে শয়তানকে বন্দী করে রাখেন। এজন্য রমজানের আবহে মুুমিনের হৃদয়ে অন্যরকম প্রশান্তি ছুয়ে যায়। তাই ঈমানদার সকল মানুষই শান্তির কেন্দ্র মসজিদে আসে। মসজিদে আসা এ মানুষদের ধরে রাখতে আলেমদের বিশেষ ভাবে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে। রমজান মাসেই ইফতার পার্টিতে আলোচনা করে বা