শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামির সতর্কতা শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ভারত উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা কুরআনের পথে চললেই বদলে যাবে দেশ: আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’

২১ এপ্রিলই পবিত্র শবে বরাত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়াার ইসলাম: চলতি মাসের ২১ এপ্রিল (১৪ শাবান) দিবাগত রাতেই পবিত্র শবে বরাত হবে বলে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী  অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) বিকাল সোয়া ৩টায় সচিবালয়ের নিজ দফতরে শাবান মাসের চাঁদ দেখার বিষয়ে দেশের বিশিষ্ট আলেমদের সমন্বয়ে গঠিত ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সুপারিশ প্রকাশকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

এর আগে, গত ৬ এপ্রিল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি সভা করে জানিয়েছিল, ওই দিন দেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ৮ এপ্রিল থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে এবং ২১ এপ্রিল দিনগত রাতে পবিত্র লায়লাতুল বরাত পালিত হবে।

তবে ‘মজলিসু রুইয়াতিল হিলাল’ নামে একটি সংগঠনের দাবি, সেদিন খাগড়াছড়িতে চাঁদ দেখা গেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, ২০ এপ্রিল দিবাগত রাতে পবিত্র লায়লাতুল বরাত পালিত হওয়ার কথা। এ নিয়ে বিতর্ক এড়াতেই জরুরি বৈঠক ডাকে সরকার।

পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখার সিদ্ধান্তের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণকারীদের দাবি যাচাইয়ে মারকাযুদ দাওয়াহ-এর আমিনুত তালিম মাওলানা আবদুল মালেককে প্রধান করে বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে ১১ সদস্যের একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।

এ কমিটি যারা চাঁদ দেখেছেন বলে দাবি করেছেন তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে আগামী ১৭ এপ্রিল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বরাবর সুপারিশ প্রদান করে। সেই সুপরিশের ভিত্তিতে ২১ এপ্রিল (১৪ শাবান) দিবাগত রাতেই পবিত্র শবে বরাত হবে বলে সিদ্ধান্ত জানান ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম আল্লামা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ, মসজিদুল আকবর কমপ্লেক্সের মুহতামিম মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন, গোপালগঞ্জ গওহরডাঙ্গা মাদরাসার মুহতামিম মুফতি রুহুল আমীন, শায়খ যাকারিয়া রহ. ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, বেফাকের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, তেজগাঁও মদিনাতুল উলুম কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক আল আজহারি, লালবাগ মাদরাসার মুহাদ্দিস মুফতি মো. ফয়জুল্লাহ, লালবাগ মাদরাসার প্রধান মুফতি মাওলানা ইয়াহ্ইয়া, মোহাম্মদপুর জামেয়া রাহমানিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহ্ফুজুল হক ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ