রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১২ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সৌদি আরব বাড়ল ওয়াসার এটিএম বুথের পানির দাম যুদ্ধ বন্ধে অবিলম্বে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জমিয়তের প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন খামেনি হত্যার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিলো হিজবুল্লাহ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর নামে প্রতারণা, সাবধান করল ইফা তেহরানে ফের হামলা চালালো ইসরায়েল, গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান নিহত হিফজুল হাদিসসহ অন্যান্য বিভাগে ভর্তি নিচ্ছে আল মারকাজুল ইসলামী বাগমুছা ‘মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই’ গালফভুক্ত চার দেশের প্রতি‌নি‌ধির সঙ্গে পররাষ্ট্রস‌চিবের বৈঠক

সন্তানের জন্ম দিলেই পুরস্কার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত বছরের নভেম্বরে ইউরোপের দেশ ইতালি ঘোষণা দেয়, প্রথম দুই সন্তানের পর তৃতীয় সন্তান জন্ম নিলেই পুরস্কার হিসেবে জমি দেওয়া হবে।

এবার একই রকমের পুরস্কার দেওয়ার জেরে সংবাদপত্রের শিরোনাম হয়েছে দূরপ্রাচ্যের দেশ জাপানের একটি শহর। আমেরিকার পুলিৎজার সেন্টারের রিপোর্ট বলছে, নাগি নামের ওই শহর কর্তৃপক্ষ জনসংখ্যা বাড়ানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আর সে উদ্যোগ হলো কোনও দম্পতি সন্তানের জন্ম দিলেই তাদের পুরস্কার দেওয়া।

শহরের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও পরিবার যত বেশি সন্তানের জন্ম দেবে, তত বেশি পুরস্কার মিলবে তাদের। প্রথম সন্তানের জন্মের পরে দেওয়া হবে এক লাখ ইয়েন (৭২ হাজার টাকা), দ্বিতীয় সন্তান জন্মালে দেড় লাখ ইয়েন (একলাখ ১০ হাজার টাকা), তৃতীয় সন্তান জন্মালে ৪ লাখ ইয়েন (২ লাখ ৯৪ হাজার টাকা)।

এখানেই শেষ নয়; সন্তানের জন্ম হওয়ার পরে দম্পতিরা সস্তায় ঘর ভাড়া পান। সন্তানদের টিকা দিতে কোনও খরচ হয় না। সে যদি শহরের বাইরে কোনও স্কুলে পড়তে যায়, পৌরসভা তার যাতায়াতের খরচ দিয়ে থাকে। অসুস্থ শিশুদের জন্য বিনামূল্যে ডে-কেয়ারের ব্যবস্থাও করা হয়।

২০০৫ সালে দেখা যায়, নাগি শহরে নারী প্রতি সন্তান ধারণের হার মাত্রই ২ দশমিক ৪। তার পর সন্তানের জন্মদানে উৎসাহ দেওয়ার জন্য ওই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এর ফলে সেখানে নারী প্রতি সন্তান ধারণের হার বেড়ে হয় ২ দশমিক ৮। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে এই হার কমে দাঁড়ায় ১ দশমিক ৯ শতাংশ।

বর্তমানে নাগি শহরের জনসংখ্যা মাত্র ৬ হাজার। সেখানে কোথাও ভিড় হয় না। যে কোনও সিনেমা হল, শপিং মল ও অন্যান্য শপিং মল সবসময় ফাঁকা থাকে।

শুধু নাগি নয়, সামগ্রিকভাবে জাপানেই কমছে জন্মহার। একমাত্র সেখানেই ১৯৭০ সাল থেকে প্রতিবছর জন্মের হার কমে যাচ্ছে কিছু কিছু করে। ১৯৭০ সালে জাপানে যত শিশু জন্মেছিল, ২০১৭ সালে জন্মেছে তার চেয়ে ১ লাখ কম। কিন্তু মৃত্যুহার বেড়েছে। ২০১৭ সালে জাপানে মারা গিয়েছিলেন ১৩ লাখ মানুষ। সেদেশের স্বাস্থ্য ও শ্রমমন্ত্রীর দাবি, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে আর কখনই একবছরে এত মানুষ মারা যাননি।

জাপানের লোকসংখ্যা ১২ কোটি ৭০ লাখ। তার মধ্যে মাত্র ১২ দশমিক ৩ শতাংশ শিশু। ভারতে মোট জনসংখ্যার ৩১ শতাংশ শিশু। আমেরিকায় ১৭ শতাংশ ও চীনে জনসংখ্যার ১৯ শতাংশ শিশু। জাপানিদের উদ্বেগ, ২০৬৫ সালের মধ্যে সেদেশের জনসংখ্যা ৮ কোটি ৮০ লাখ কমে যাবে। সূত্র- ওয়ান ইন্ডিয়া ও দ্য ওয়াল ডটইন।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ