বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ।। ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আবাসন খাতে স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার’  পোশাক শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুরে ৬ সড়ক নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে সেনাবাহিনী দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের পূর্বধলা উপ-শাখা কমিটি পুনর্গঠন খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক ছবি-ভিডিও প্রচার করে নারীর সম্মানহানি, ইসলাম কী বলে কামরাঙ্গীরচরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মতবিনিময় সভা ভিডিওকাণ্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

মদ্যপ মায়ের রেখে যাওয়া সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালেন কনস্টেবল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের হায়দ্রাবাদের ওসমানিয়া জেনারেল হাসপাতালের কাছে মদ খেয়ে শিশুকে এক ব্যক্তির হাতে দিয়ে ভুলে চলে গিয়েছিলেন মা! ক্ষিদের জ্বালায় চিৎকার করে কাঁদতে থাকা শিশুটিকে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ওই মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, রবিবার রাতে ওই মহিলা শিশুটিকে অচেনা এক ব্যক্তির হেফাজতে রেখে জানান, কিছুক্ষণ পরই তিনি ফিরে আসবেন। অনেকক্ষণ পরেও মহিলাকে ফিরে না আসতে দেখে ওই ব্যক্তি শিশুটিকে নিজের বাড়ি নিয়ে যান এবং দুধ খাইয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি তার বন্ধু এবং আত্মীয়দের বিষয়টি জানালে তারা শিশুটিকে আফজলগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করে।

ওই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে কনস্টেবল এম রবিন্দর তার স্ত্রীকে ফোনে পুরো ঘটনাটি জানান। মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন রবিন্দরের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা, যিনি নিজে নারী কনস্টেবলও। পরে রবিন্দরের স্ত্রী ঘটনাস্থলে এসে শিশুটি স্তন্যপান করিয়ে শান্ত করেন।

কনস্টেবল প্রিয়াঙ্কা সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘আমি ফোন পাওয়ার পরে অবিলম্বে একটি ক্যাব বুক করে আফজলগঞ্জ পুলিশ স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হই, ওখানেই বাচ্চাটিকে নিয়ে আসা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজেও তো এক ছোট্ট শিশুর মা, তাই আমি বুঝতে পারি ওর ক্ষিদে পেয়েছে বলেই এত কাঁদছে। আমি অবিলম্বে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াতেই সে শান্ত হয়ে যায়।’

পরে, শিশুটিকে একটি সরকারি মাতৃত্ব হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ যখন মা'কে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল, তখনই চঞ্চলগুদা এলাকার কাছে একজন মহিলাকে কাঁদতে দেখেন তারা। পরে ওই মহিলা সমস্ত ঘটনার বর্ণনা দেন। মহিলার দাবি, ওই সময় তিনি মদ্যপ থাকায় শিশুকে ঠিক কোন ব্যক্তির হাতে তুলে দিয়েছিলেন তা মনে করতে পারছিলেন না কিছুতেই। পুলিশ ওই মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি তার শিশু সন্তানকে চিহ্নিত করেন। যাচাই ও নিশ্চিতকরণের পর শিশুটিকে ওই মহিলার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পর হায়দরাবাদের সিটি পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা কনস্টেবল দম্পতির প্রশংসা করেন। হায়দরাবাদ পুলিশ কমিশনারও এই মানবিক আচরণের জন্য দম্পতির প্রশংসা করেন। সূত্র– এনডিটিভি।

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ