বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ।। ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘আবাসন খাতে স্বচ্ছতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার’  পোশাক শিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর জঙ্গল সলিমপুরে ৬ সড়ক নির্মাণে যুক্ত হচ্ছে সেনাবাহিনী দল থেকে বহিষ্কৃত এমপি নজরুলের আসন শূন্য হওয়া নিয়ে যা জানালো ইসি স্বাস্থ্য অধিদফতরের নতুন পরিচালক ডা. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের পূর্বধলা উপ-শাখা কমিটি পুনর্গঠন খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক ছবি-ভিডিও প্রচার করে নারীর সম্মানহানি, ইসলাম কী বলে কামরাঙ্গীরচরে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মতবিনিময় সভা ভিডিওকাণ্ডে এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

ভারতে হিন্দু-মুসলিম পড়ুয়াদের জন্য পৃথক সেকশন চালু স্কুলে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ করা হচ্ছে স্কুলের সেকশন। হিন্দু পড়ুয়াদের সঙ্গে একই সেকশনে থাকতে পারবে না কোনও মুসলিম পড়ুয়া। একই প্রক্রিয়ায় মুসলিম পড়ুয়াদের জন্য পৃথক সেকশনও করা হয়েছে। একই শ্রেণির পড়ুয়ারা ধর্মের ভিত্তিতে বসছে পৃথক সেকশনে। ধর্মের ভিত্তিতে রয়েছে পড়ুয়াদের আলাদা নামের রেজিস্টার।

হিন্দু মুসলিম ঐক্যের রূপরেখা

রাজধানী দিল্লিতে এ চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে। উত্তর দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের অন্তর্গত ওয়াজিরাবাদ এলাকায় অবস্থিত নর্থ এমসিডি বয়েজ স্কুলে এই পদ্ধতিতেই চলছে সেকশন বিভাজন। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে উল্লিখিত স্কুলটি একটি প্রাথমিক স্কুল। যেখানে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়।

এই বিভাজন শুরু হয়েছে চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে। জুলাই মাসের ২ তারিখে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বদলি হয়। সেই জায়গায় আসীন হন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিবি সিংহ শেরাওয়াত। তারপরেই ধর্মের ভিত্তিতে পড়ুয়াদের ভিন্ন ভিন্ন সেকশনে বসান শুরু হয়।

এই প্রক্রিয়ায় স্কুলে শান্তির পরিবেশ বিরাজমান থাকবে বলে দাবি করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেরাওয়াত। তিনি বলেন, “এখন সব স্কুলের সেকশনের নতুন করে বিভাজন করা হচ্ছে।”

ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলছেন, “পরিচালন কমিটি স্কুলের স্বাভাবিক শান্ত পরিবেশ বজায় রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

সেকশনের বিভাজনের গুরুত্বের কথাও শোনা গিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের মুখে। এই সেকশন বিভাজনের পরে নাকি পড়ুয়াদের মধ্যে আর লড়াই হয় না।

প্রাথমিক স্কুলের পড়ুয়ারা ধর্মের ভিত্তিতে লড়াই করে? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, “অবশ্যই করে। তারা ধর্মের বিষয়ে কিছু না বুঝলেও জোর গলায় তর্ক করতে থাকে। যা পরে হাতাহাতির আকার নেয়।” একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, “অনেক নিরামিষাশী পড়ুয়া আছে স্কুলে। সেই নিয়েও অনেক সমস্যা হয়।”

বিষ্যটি জানার পরে অবাক হয়েছেন স্কুলের পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা। চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রের মা জানিয়েছেন যে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন যখন তার ছেলে বলেছিল, “এখন আমাদের ক্লাসে আর কোনও মুসলিম নেই। কয়েক মাস আগেও আমরা একসঙ্গে ছিলাম। আমার একটা ভালো বন্ধু আর আমাদের ক্লাসে বসছে না।”

প্রথম শ্রেণির এক পড়ুয়ার মা বলেছেন, “এটা ভুল হচ্ছে। সব বাচ্ছাদের সমান মনে করা উচিত। এত ছোট বয়সে এই বিভাজন শিখলে পরে খুব খারাপ হবে।”

সূত্র: দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, কলকাতা ২৪

এবার ৫ সৌদি যুবরাজ গুম, নেপথ্যে কী?

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ