আরবি ক্যালিগ্রাফির নান্দনিক শিল্পের সাথে বাংলাদেশের মুসলমানদের সখ্যতা অনেক পুরনো হলেও মাঝখানে তা স্থবির হয়ে পড়েছিল। কিন্তু ইদানীং এই শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত মানুষের সংখ্যা আশা জাগানিয়া।
অক্ষর বা হরফ সাজানোর এই প্রতিযোগিতায় ছেলেদের পাশাপাশি কাজ করছেন বাংলাদেশী মেয়েরাও। তেমনি একজন উদীয়মান মেয়ে ক্যালিগ্রাফি শিল্পী আফসানা মিমি।
পড়াশুনার পাশাপাশি তিনি কাজ করছেন ক্যালিগ্রাফি আর ল্যান্ডস্কেপ নিয়ে। অল্প ক'দিনেই তার কাজ বিভিন্ন মহলে প্রশংসা কুড়াতে সক্ষম হয়েছে।
সম্প্রতি আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে এ ক্যালিগ্রাফি শিল্পীর সাক্ষাতকার নিয়েছেন সাজিদুল ইসলাম সাজিদ এবং আমিনুল ইসলাম হুসাইনী।
আওয়ার ইসলাম: আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন?
আফসানা মিমি : ওয়ালাইকুমুস সালাম। আলহামদুলিল্লাহ। ভালো।
আওয়ার ইসলাম : শুরুতেই শুরুটা জানতে চাইবো। মানে ক্যালিগ্রাফির শুরুটা কবে থেকে শুরু করেছেন?
আফসানা মিমি : শুরুটা আসলে ২০১৫ এর মাঝামাঝি (মে/জুন হবে হয়তো) সময় থেকেই। তখন থেকেই আমার ক্যালিগ্রাফির যাত্রা শুরু হয়।
আওয়ার ইসলাম : ক্যালিগ্রাফি শিল্পে প্রবেশ কি নিজের শখ না কি বাবা মায়ের ইচ্ছে পূরণ?
আফসানা মিমি : না না। অাসলে তেমন কিছু না। বলতে গেলে হঠাৎ করেই এই জগতে প্রবেশ করা আরকি।
আওয়ার ইসলাম : তা সেই হঠাৎ করে প্রবেশের ঘটনাটা কী ছিল?
আফসানা মিমি: ২০১৫ তে আমাদের ডিপার্টমেন্ট (ইসলামিক স্টাডিজ) সাজানোর জন্য বড় ভাইয়ারা আমাকে আর এক ফ্রেন্ডকে ক্যালিগ্রাফি করতে বলেছিলেন। তখন থেকেই ক্যালিগ্রাফির প্রতি আগ্রহ জন্মাল।
এরপর যখন ‘মাহবুব মুর্শিদ স্যার’ এর ক্যালিগ্রাফি দেখি, তখন আগ্রহটা অনেক বেড়ে যায়। স্যার তার ক্যালিগ্রাফি কপি করার অনুমতি দিলেন। ক্যালিগ্রাফিতে প্রবেশের মূল ঘটনা এটাই।
আওয়ার ইসলাম : জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কোনো প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন?
আফসানা মিমি: হ্যাঁ। ন্যাশনাল এর পাশাপাশি ‘তুর্কী বাংলাদেশ ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী’ নামের আন্তর্জাতিক একটি প্রদর্শনীতে অংশ গ্রহণ করা হয়েছে।
ইনশাল্লাহ সামনে আরো প্রদর্শনীতে অংশ গ্রহণ করার ই