শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল মেক্সিকো, সুনামির সতর্কতা শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ভারত উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা কুরআনের পথে চললেই বদলে যাবে দেশ: আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী মসজিদের ভেতরে বিএনপি, বারান্দায় জামায়াতের জুমা আদায়! মাদক প্রতিরোধে চাহিদা ও যোগান—উভয়ই নির্মূল করতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই অপরিকল্পিত নগরায়ণ থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিন: ইসলামী আন্দোলন কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় নিরাপদ পথ নিশ্চিত করুন বিকেএমের স্থায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ‘দুর্দিন এলে আবারও মুসলিম লীগের মাওলানা ফজলুর রহমানের সহযোগিতা লাগবে’

ভারতে ধরা পড়ল ৩৩ খুনের সিরিয়াল কিলার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালে লাগোয়া শিল্পাঞ্চল মান্ডিদ্বীপ এলাকায় বসবাস করেন তিনি। নাম আদেশ খামরা। বয়স ৪৮ বছর। পেশায় দর্জি।

শিল্পাঞ্চল এলাকার বাজারে তার পোশাক তৈরির দোকান রয়েছে। মানুষ তাকে একজন ভালো দর্জি হিসেবে জানলেও অন্য একটা চেহারা সামনে এসেছে কয়েক দিন আগে।

পুলিশের তথ্যমতে, দিনে দর্জির কাজ করেন আদেশ খামরা। আর রাত হলেই দর্জির পোশাক খুলে হয়ে যান ভয়ঙ্কর চেহারার মানুষ।

রাতে তার কয়েকজন সাগরেদ নিয়ে বেরিয়ে পড়ত হাইওয়েতে। দূরদূরান্তের মালবাহী ট্রাকচালকরা সেখানে বিশ্রাম নিত। আদেশ খামরা ওইসব চালক ও হেলপারদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দিত। চলত মদের আসর।

ড্রাইভার আর হেলপারদের মদের সঙ্গে কৌশলে বিষ মিশিয়ে দিত আদেশ খামরার সহচররা। বিষাক্ত মদ খেয়ে ড্রাইভার-চালক মারা গেলে বা অজ্ঞান হলে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হতো। লাশ ফেলে দেয়া হতো দুর্গম কোনো এলাকায়।

২০১০ প্রথমে এগারো মাইল নামক একটি এলাকা থেকে দুটি ট্রাক ছিনতাই করেছিল আদেশ খামরা ও তার সঙ্গীরা। সেখান থেকে তাদের অপরাধের শুরু।

ওইদন মাদক খাইয়ে অচৈতন্য করে দিয়ে দুই চালককেই তারা হত্যা করে লাশ ফেলে দিয়েছিল দুটি আলাদা জায়গায়। এই সিরিয়াল কিলার পুলিশের হাতে বেশ অদ্ভুতভাবেই ধরা পড়ে।

ধর্মেন্দ্র চৌধুরী বলেন, জেরা করতে গিয়ে কখনোই মনে হয়নি অন্য সিরিয়াল কিলারদের মতো মানসিকভাবে অসুস্থ এরা। নিজেরাই এক এক করে তাদের হত্যাকাণ্ডগুলোর কথা স্বীকার করছে।

এটাও জানিয়েছে যে, সম্প্রতি আদেশ নিজের একটা আলাদা গ্যাং বানিয়েছিল। আর অন্য রাজ্যে গিয়ে হত্যা আর ট্রাক চুরির ঘটনায় সেখানকার দুষ্কৃতীদেরও সাহায্য নিত।

হত্যার পরে কোনো সূত্রই রাখত না এরা। যে কারণে এত দিন পুলিশের জালে ধরা পড়েনি। একেকটি ঘটনার পরেই মোবাইল ফোন আর সিমকার্ড বদলে ফেলত আদেশ খামরা।

তাকে জেরা করে পুলিশ এখনো পর্যন্ত প্রায় ৪৫ পৃথক আইএমইআই নম্বরের মোবাইল খুঁজে পেয়েছে, যেগুলোতে ৫০টিরও বেশি সিমকার্ড ব্যবহার করেছে আদেশ খামরা।

এটি/আওয়ার ইসলাম

ব্যবসা এখন আপনার হাতের মুঠোয়। – বিস্তারিত জানুন


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ