সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

নাম বিকৃতির ফলে হারিয়ে যাওয়া মুসলিম মণীষীগণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সেখ সাদ্দাম হোসেন: জ্ঞান বিজ্ঞান, চিকিৎসা, শিল্প সাহিত্য ও বিশ্ব সভ্যতায় মুসলমান দের যে শ্রেষ্ঠ অবদান রয়েছে তা আমরা অনেকেই জানিনা। জ্ঞান -বিজ্ঞানের প্রায় সকল ধারা বা শাখা প্রশাখা মুসলিম মণীষীদেরই আবিস্কার। বলা যেতে পারে তাঁদের মৌলিক আবিস্কারের উপরই বর্তমান জ্ঞান-বিজ্ঞানের অধিষ্টান। মুসলমান দের জ্ঞান চর্চা করেই অমুসলিম বিশ্ব আজ উন্নত। কিন্তু পাশ্চাত্ত্য সভ্যতার ধারক ও বাহক এবং তাদের অনুসারী ইউরোপীয় পন্ডিতগন ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে মুসলিম মণীষীদের নাম মুসলমান দের স্মৃতিপট থেকে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য ইসলামের ইতিহাস এবং মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম কে এমন বিকৃত ভাবে লিপিবদ্ধ করেছে যে নাম দেখে বোঝার উপায় নেই ইনি একজন খাঁটি মুসলমান। ফলে সঠিক ইতিহাস অবগত না থাকার কারনে, সভ্যতার উন্নয়নে মুসলমান দের কোন অবদান নেই বলে প্রচার করা হয়। অথচ সভ্যতার উন্নয়নের মূলেই অমুসলিম গন মুসলিম মণীষীদের কাছে ঋণী। তাই সঠিক ভাবে অতিতের ইতিহাসে পদচারণা করলেই ফুটে ওঠে অসাধারণ প্রতিভার গুনে গুনান্বিত কিছু অবিস্মরণীয় মুসলিম মণীষী ব্যাক্তিত্ব।

এদের মধ্যে উল্লখযোগ্য হল “দ্বিতীয় এরিস্টটল” বলে খ্যাত আবু নাসের মোহাম্মাদ (৮৭০-৯৬৬)। যিনি নাম বিকৃতির কুফলে হয়ে যান “আল ফারাবী’। পদার্থ বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, দর্শন, যুক্তিশাস্ত্র, গণিত শাস্ত্র, চিকিৎসা বিজ্ঞান সহ বিজ্ঞানের এমন কোনো শাখা বাকি ছিলনা যেখানে আবু নাসের মোহাম্মদের প্রতিভা বিস্তৃত হয় নি। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক দের মধ্যে অন্যতম আল ফারাবীই প্রথম পদার্থ বিজ্ঞানে “শূন্যতার” অবস্থান প্রমাণ করেছিলেন।

আবার চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্বন্ধে বলতে গেলে যার নাম প্রথমে ভেসে ওঠে তিনিও এক মুসলিম তাপস। “মানব দেহে রক্ত সঞ্চালনের ব্যবস্থা কে আবিস্কার করেছিলেন?” “ফুসফুসের নির্মাণ কৌশল কে সভ্যতাকে সর্ব প্রথম অবগত করিয়েছিলেন?” “শ্বাসনালির অভ্যন্তরীন অবস্থা কেমন?” “মানবদেহে বায়ু ও রক্ত প্রবাহের মধ্যে ক্রিয়া-প্রক্রিয়ার ব্যাপারটা কী?” এসব প্রশ্নের উত্তরে যাঁর নাম এককভাবে উচ্চারিত হয় তিনি হলেন আলাউদ্দীন আবুল হাসান আলী ইবনে আবুল হাজম ইবনুন নাফিস আল কোরায়েশি (১২০৮-১২৮৮)। এয়োদশ শতাব্দীর চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিপ্লবের সূচনাকারী “ইবনুন নাফিস” ছিলেন অতি বিশিষ্ট দক্ষ এক ইমাম ও অতি উচ্চশিক্ষিত বিজ্ঞ হাকিম। চিকিৎসা বিজ্ঞানের বহু গ্রন্থের প্রনেতা হিসাবে মৃত্যুরপূর্ব পর্যন্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানে তাঁর অবদান সর্বাধিক। হৃদপিণ্ডের এনাটমি নিয়ে পূর্বের মতবাদà¦