৭ শাওয়াল থেকে সারা দেশের কওমি মাদরাসায় প্রায় একযোগেই শুরু হয়েছে নতুন শিক্ষাবর্ষের ভর্তির কার্যক্রম। কওমি মাদরাসায় পুরাতন ছাত্রদের ভর্তি প্রক্রিয়া প্রায় এক হলেও নতুন ছাত্রদের ভর্তিতে রয়েছে যথেষ্ট ভিন্নতা। ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো কোনো মাদরাসা শুধু বোর্ডের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। আবার কোথাও বোর্ডের ফলাফল গুরুত্বই পাচ্ছে না। কোথাও মৌখিক পরীক্ষা, কোথাও বা নেয়া হচ্ছে লিখিত পরীক্ষা আবার কোথাও দুটোই।
আওয়ার ইসলামকে কওমি মাদরাসার ভর্তি পরীক্ষার এ ভিন্নতার কারণ জানিয়েছেন কওমি ধারার সর্ববৃহৎ শিক্ষা বোর্ড বেফাকের মহাপরিচালক অধ্যাপক মাওলানা যোবায়ের আহমদ চৌধুরীর। তার সঙ্গে কথা বলেছেন আতাউর রহমান খসরু।
আওয়ার ইসলাম : একই বোর্ডের অধীন হওয়ার পরও কওমি মাদরাসার ভর্তি প্রক্রিয়ায় এতো ভিন্নতা কেনো?
যোবায়ের আহমদ চৌধুরী : পূর্ব থেকেই ছাত্র ভর্তির পদ্ধতি হিসেবে মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। এটাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়। তবে কোনো কোনো মাদরাসায় ভিন্নতা দেখা যায়। ধীরে ধীরে মাদরাসার ভর্তি পরীক্ষা আরও উন্নত হচ্ছে। উন্নয়নের ধারা সব জায়গায় সমান গতিশীল না বলে ভর্তি প্রক্রিয়ায় ভিন্নতা চোখে পড়ে।
আওয়ার ইসলাম : আপনি মনে করছেন, চলমান ভর্তি প্রকিয়া চলতে পারে?
যোবায়ের আহমদ চৌধুরী : আমি মনে করি, ভর্তি প্রক্রিয়া আরও উন্নত হওয়া উচিৎ। তবে কোনো নির্দিষ্ট পদ্ধতি চাপিয়ে দিতে চাইবো না। কেননা ছাত্র যাচাইয়ে পরীক্ষকের প্রত্যাশাই মূল। তিনি ইচ্ছে করলে শুধু মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে যোগ্য শিক্ষার্থী বেছে নিতে পারেন। আবার তার ইচ্ছে না হলে তিন রকম পরীক্ষা নেয়ার পরও অযোগ্য ছেলে ভর্তি হয়ে যাবে।
আওয়ার ইসলাম : শোনা যায়, ফেল করার পরও অনেক শিক্ষার্থী একই মাদরাসায় বা অন্য মাদরাসায় পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পায়। বিষয়টি কীভাবে দেখেন?
যোবায়ের আহমদ চৌধুরী : ফেল করার পরও পরবর্তী জামাতে (শ্রেণিতে) ভর্তি করিয়ে নেয়া কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। অত্যন্ত গর্হিত নিন্দনীয় কাজ। এর ম