ঈদ এলেই সড়কে শুরু হয় মৃত্যু মিছিল। প্রতিদিন প্রাণ হারায় এক বা একাধিক মানুষ। আহত হচ্ছে এবং পঙ্গুত্ব বরণ করছে আরও অসংখ্য মানুষ। সরকার নানা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বললেও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না তা। সাধারণ যাত্রীদের জন্য সড়ক হয়ে উঠেছে এক বিভীষিকার নাম।
সড়কের এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন সাবেক এমপি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও মাসিক তৌহিদী পরিক্রমা সম্পাদক এডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী। তার সঙ্গে কথা বলেন, আতাউর রহমান খসরু।
আওয়ার ইসলাম : প্রতিবছর ঈদ-উৎসবে সড়ক দুর্ঘটনায় বিপুল সংখ্যক মানুষ মারা যায়। বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন?
এডভোকেট শাহীনুর পাশা : যেকোনা মৃত্যুই কষ্টের। আর উৎসবেরে সময় মৃত্যুর মিছিল নি:সন্দেহে অনেক দু:খজনক ও বেদনার। মানুষের মর্মান্তিক এ মৃত্যু বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।
আওয়ার ইসলাম : উৎসবের দিন ঘণিয়ে এলে দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ কি?
এডভোকেট শাহীনুর পাশা : আমার মনে হয়, এর পেছনে বেশ কিছু কারণ কাজ করে। যেমন, ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ না হওয়া এবং নকল ড্রাইভিং লাইসেন্সের ছড়াছড়ি হওয়া।
দুই. পর্যাপ্ত রাস্তা না থাকা এবং মহাসড়কগুলোতে একাধিক লেনের ব্যবস্থা না থাকা।
তিন. অপরাধীদের শাস্তি না হওয়া। ফিটনেস বিহীন প্রচুর গাড়ি রাস্তায় চলছে।
চার. দেশের ট্রাফিক ব্যবস্থার অনুন্নত হওয়া।
বাংলা ভাষায় সীরাত চর্চায় মাওলানা মুহিউদ্দীন খান অনন্য দৃষ্টান্ত
এছাড়াও গতি মেনে গাড়ি না চালানো, যাত্রীদের অসচেতনতা ইত্যাদি আরও অনেক বিষয় রয়েছে।
আওয়ার ইসলাম : প্রায় যাত্রীদের অসচেতনতার কথা বলা হয়। যাত্রীদের দায় কতোটা?
এডভোকেট শাহীনুর পাশা : আমাদের দেশের যাত্রীদের সচেতনতার অভাব আছে। অনেকের ভেতরেই এ মানসিকতা কাজ করে যে, আমাকে বাড়ি যেতেই হবে। সেটা যেকোনো মূল্যে হোক। এটা ঠিক নয়।
বাড়ি না গেলে হয়তো সন্তান, বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ করা হবে না। আনন্দ পাওয়া যাবে না। কিন্তু যদি জীà