সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

`নামাজের প্রস্তুতি হিসেবে যেমন অজু; রোজার প্রস্তুতি হিসেবেও কয়েকটি কাজ আছে'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

শাহনূর শাহীন: আর মাত্র ১১ দিন পর শুরু হবে পবিত্র মাহে রমজান বা সিয়াম সাধনার মাস। রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আল্লাহ তাআলান পক্ষ থেকে বিশেষ এক নেয়ামত। রহমত বরকত ও নাজাতের এই মাস আত্মা-পরিশুদ্ধ করার নিয়ামক। আত্মসংযমী, বিনয়ী, দয়াশীলতা, ধৈর্য্যশীলতা, দানশীলতাসহ যাবতীয় উত্তম গুনাবলী অর্জন ও আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভের অন্যতম উপায় হলো মাহে রমজানে রোযা রাখা। রমজানে রোযা রাখার দ্বারা শরীর ও মন দুটোই পবিত্র হয়। রমজানের প্রস্তুতি কখন থেকে কীভাবে নিতে হয়, কী করণীয় কী বর্জনীয়, আওয়ার ইসলামের পক্ষ থেকে এ সমস্ত বিষয়ে কথা বলেছিলাম প্রতিথযশা আলেম রাজধানী ঢাকার জামেআ আবু বকর রা. এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল লেখক, ওয়ায়েজ ও শিক্ষাবিদ মুফতি বোরহান উদ্দিন রাব্বানী’র সাথে। আওয়ার ইসলাম পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।

সামনে রমজান মাস, রমজানের প্রস্তুতি কীভাবে নেয়া দরকার?

রমজান মাস আমাদের জন্য রহমত বরকত এবং নাজাতের মাস। এই মাসের প্রস্তুতি মূলত রজব মাস থেকেই শুরু করতে হয়। রাসুল স. রজব মাস এলেই আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করে বলতেন, হে আল্লাহ আমাদের রজব এবং শাবান মাসে বরকত দান করুন এবং রমজান পর্য্যন্ত হায়াত বৃদ্ধি করে দিন। বুঝা গেলো রমজানের প্রস্তুতি রজব মাস থেকেই শুরু করতে হবে।

রমজানের প্রস্তুতি নিতে হয় দুইভাবে। জাহিরি ও বাতিনি। জাহিরি প্রস্তুতি হলো বাহ্যিক প্রস্তুতি আর বাতিনি প্রস্তুতি হলো মানসিক প্রস্তুতি। বাহ্যিকভাবে পবিত্র মাস আসার আগে পবিত্র হয়ে প্রবেশ করার প্রস্তুতি নিতে হবে। পূর্বেকার কাযা রোযা, কাযা নামাজ বা ইবাদাতে অপূর্ণতা থাকলে সেটা পূর্ণ করে নিতে হবে। গোনাহ ছেড়ে দিতে হবে।

রমজানে ইবাদাতে যাতে ব্যঘাত না ঘটে সে জন্য অগ্রিম কিছু কাজ করে রাখতে হবে। কোনো কাজ জমিয়ে রাখা যাবে না। যেমন রোযার পর পরই ঈদ আসে। ঈদ উপলক্ষ্যে প্রায় সবাই