সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

দেশের ৪৯ শতাংশ মানুষ এখনও নিরক্ষর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

primary
আওয়ার ইসলাম : আশিক্ষায় ব্যাপক হারে অংশগ্রহণ বাড়লেও দেশে প্রায় অর্ধেক মানুষ নিরক্ষর। অংকের হিসাবে বর্তমানে ৫১ দশমিক ৩০ শতাংশ মানুষ সাক্ষর এবং ৪৮ দশমিক ৭০ শতাংশ মানুষ নিরক্ষর। সাক্ষরতায় পুরুষের চেয়ে নারীরা এগিয়ে। পুরুষদের হার ৫০ দশমিক ৫ ভাগ, নারী ৫৩ দশমিক ২ ভাগ। তরুণদের মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ নিরক্ষর। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণসাক্ষরতা অভিযানের (ক্যাম্পে) দেশব্যাপী এক সমীক্ষায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অপরদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের মতে, দেশে সাক্ষরতার হার প্রায় ৭১ শতাশ। সেই হিসাবে সরকারের তথ্যের সঙ্গে নতুন সমীক্ষা অনুযায়ী পাওয়া সাক্ষরতার হারে তফাৎ প্রায় ২০ ভাগ।

গত ৭ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার বলেন, সাক্ষরতা নিয়ে লেটেস্ট কোনো সার্ভে (সমীক্ষা) নেই। তবে তার নিজের এলাকার শতভাগ মানুষ সাক্ষর। এমনি শতভাগ সাক্ষরতার অধীন আরও বেশকিছু এলাকা আছে। সেসব ধরেই তিনি মনে করছেন, দেশে সাক্ষরতার হার ৭১ শতাংশ। যদিও সর্বশেষ ২০১১ সালে সরকারিভাবে সাক্ষরতার হার নিরূপণ করা হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিচালিত এ হিসাব অনুযায়ী সাক্ষরতার হার ছিল ৫৮ ভাগ। এর আগে ২০০৮ সালে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও ২০০২ সালে ক্যাম্পে সাক্ষরতার ওপর সমীক্ষা চালায়। তখন সংস্থাটি সাক্ষরতার হার পেয়েছিল ৪১ দশমিক ৪ ভাগ। গত ১৪ বছরে তা বেড়ে হয়েছে মাত্র ৫১ দশমিক ৩ ভাগ।

এ প্রসঙ্গে ক্যাম্পের নির্বাহী পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, সাক্ষরতার বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য সরকারসহ আমাদের কারও কাছে নেই। এর মধ্যে উন্নয়নের নতুন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি (টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা) গ্রহণ করেছে বিশ্ব। তাই সাক্ষরতার বিষয়ে নতুন তথ্যের প্রয়োজনে এ সমীক্ষা চালানো হয়েছে। সেই সমীক্ষাতেই নতুন তথ্য উঠে এসেছে।

ইউনেস্কোর মতে, একজন সাক্ষরতাসম্পন্ন মানুষ লিখতে, পড়তে, হিসাব কষতে এবং বুঝতে পারবেন। এ চারটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে ব্যক্তির সাক্ষরতা নিরূপণ করা হয় বলে জানান ক্যাম্পের উপপরিচালক কেএম এনামুল হক। একসময় শুধু নাম লিখতে পারলেই ব্যক্তিকে সাক্ষর (অক্ষর জ্ঞানসম্পন্ন) বলা হতো। তিনি আরও বলেন, মোà