আওয়ার ইসলাম: পবিত্র কাবা যে কোনো মুসলমানের কাছেই ভালোবাসার কেন্দ্রে অবস্থান করে। দূর দূরান্ত থেকে মুসলমানরা ছুটে যান কাবার একটু স্পর্শ পেতে।অনেকে সারা জীবন শুধু আশায় থাকেন, কাবার কাছে আর যেতে পারেন না। সারাবিশ্বের মুসলমানরা নামাজের সময় কাবা শরিফকে সামনে রাখেন। পড়ুন কাবা সম্পর্কে ১০টি তথ্য।
কাবা শরিফের সংস্কার
পবিত্র কাবা শরিফ বেশ কয়েকবার প্রাকৃতিক বিপর্যয় বন্যা এবং আক্রমণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অতএব কারণে পবিত্র কাবা বেশ কয়েকবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে।
সর্বাধিক ঐতিহাসিক তথ্য হলো কাবা শরিফ এ পর্যন্ত ১২ বার পুনঃর্নির্মিত হয়েছে। বিভিন্ন বিপর্যয়ের হাত থেকে সংরক্ষণ করতে কাবা শরিফকে সর্বশেষ ১৯৯৬ সালের আধুনিক ও শক্তিশালী প্রযুক্তির ব্যবহারে সংস্কার করা হয়।

সর্বাধিক ঐতিহাসিক তথ্য হলো কাবা শরিফ এ পর্যন্ত ১২ বার পুনঃর্নির্মিত হয়েছে। বিভিন্ন বিপর্যয়ের হাত থেকে সংরক্ষণ করতে কাবা শরিফকে সর্বশেষ ১৯৯৬ সালের আধুনিক ও শক্তিশালী প্রযুক্তির ব্যবহারে সংস্কার করা হয়। কাবা পুনঃসংস্কারের সঙ্গে সঙ্গে ১৯৯৬ সালে হাতিমে কাবাও পুনঃর্নির্মাণ করা হয়।

পবিত্র কাবা শরিফ হজরত আদম আলাইহিস সালাম, ইবরাহিম আলাইহিস সালাম, ইসমাইল আলাইহিস সালাম এবং হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুগে যুগে কাবা নির্মাণে অংশ গ্রহণ করেছিলেন।
কাবার কিসওয়ার (গিলাপ) রং পরিবর্তন
কিসওয়া হলো কালো রংয়ের কাপড়। যা দ্বারা কাবা শরিফ ঢেকে দেয়া হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি? এ কিসওয়া সব সময় কালো ছিল না। জরহাম গোত্রের শাসনামলে তাদের নিয়মানুযায়ী কিসওয়া দ্বারা কাবা শরিফের আচ্ছাদন সর্বপ্রথম শুরু হয়।

পরবর্তীতে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইয়েমেনি সাদা কাপড় দিয়ে পবিত্র কাবাকে ঢেকে দেন। বিভিন্ন খলিফাদের আমলে লাল, সবুজ এবং সাদা রংয়ের কিসওয়াও ব্যবহার করা হতো। আব্বাসীয় খলিফাদের আমলে পবিত্র কাবার কিসওয়া হিসেবে বিভিন্ন রংয়ের ব্যবহার বন্ধ করে কালো রংয়ের কিসওয়া ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তখন থেকেই কিসওয়ার জন্য কালো রংটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
কাবার আকৃতি পরিবর্তন
হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের আমল থেকেই মূলত পবিত্র কাবা শরিফ আয়তক্ষেত্র আকৃতির ছিল। ইসলামেà¦